বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বাবা ও কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মুস্তফা আলীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার বিকালে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের দেওভাণ্ডার গ্রামে চতুর্থ জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে তৃতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুমিল্লার আদালতের বিচারক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনজীবীগণ, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক-সামাজিকসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
নামাজে জানাজায় ইমামতি করেন আদালত জামে মসজিদের ঈমাম হাফেজ মাওলানা আবু তাহের। জানাজার আগে বক্তব্য রাখেন মরহুমের বড় ছেলে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জেলা ও দায়রা জজ কেএম শামছুল আলম, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর, পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান প্রমুখ।
জানাজা শেষে মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে তাঁর প্রতি অন্তিম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিচারক, আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সিটি করপোরেশন, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় নগরীর পুরাতন চৌধুরীপাড়া জামে মসজিদে দ্বিতীয় এবং মঙ্গলবার বাদ এশা রাজধানীর কাকরাইল এলাকার সার্কিট হাউজ রোডের একটি মসজিদে প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
বিকালে অ্যাডভোকেট সৈয়দ মুস্তফা আলীর চতুর্থ নামাজে জানাজা তার নিজ এলাকা নাঙ্গলকোটের দেওভাণ্ডার গ্রামে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সুপ্রীমকোর্ট রেজিস্টার জেনারেল ড. জাকির হোসেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর, পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন, নাঙ্গলকোট উপজেলা চেয়ারম্যান সামছুউদ্দিন কালু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দাউদ হোসেন চৌধুরী, পৌর মেয়র আবদুল মালেক, বাংলাদেশ সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আবুল কাশেম গাফুরীসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মুস্তফা আলী মঙ্গলবার বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইন্তেকাল করেন। মৃতুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
ইত্তেফাক/নূহু
