বরিশালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রশ্নফাঁস, আটক-৫

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৮, ২০:৫২
ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বরিশালের ইনফ্রা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ৫ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিএমপির এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ। এ ঘটনায় কারিগরী শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের  ষষ্ঠ সেমিস্টারের অটোক্যাড-২ এর পরীক্ষা স্থগিত করেছে। 
 
বুধবার দুপুরে বিএমপির এয়ারপোর্ট থানায় প্রেস ব্রিফিংকালে উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) হাবিবুর রহমান খান জানান, ২৬ জুন সন্ধ্যায় জাতীয় জরুরি সেবা (৯৯৯) এর সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি ২৭ জুন তারিখে অনুষ্ঠিত ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ষষ্ঠ সেমিস্টারের অটোক্যাড-২ বিষয়ের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এই খবর পাওয়ার পর থেকেই ফাঁসকারীদের আইনের আওতায় আনতে অভিযানে নামে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ।
 
থানার আওতাধীন এলাকা থেকে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছিয়া এলাকার মো. সোনা মোল্লার ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম (১৯), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব চইতা এলাকার আব্দুল মান্নান হাওলাদারের ছেলে মো. আবু নাঈম (২০), বাউফল উপজেলার মদনপুরা এলাকার সোহরাব হোসেন সরদারের ছেলে সাব্বির হোসেন সোহেল (২০), বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার গোলবুনিয়া এলাকার সফিকুল ইসলাম মৃধার ছেলে আমিনুল ইসলাম নাছিম (২০) ও বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নলুয়া এলাকার হুমায়ুন কবির তালুকদারের ছেলে মো. তারেক রহমানকে আটক করা হয়। 
 
আটককৃতরা বরিশালের ইনফ্রা পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের ছাত্র বলে জানান তিনি।  আটকের পর ওই ছাত্রদের দেয়া তথ্যানুযায়ী তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ধারণকৃত অবস্থায় ফাঁসকৃত প্রশ্নপত্রের হাতে লেখা কপি উদ্ধার করা হয়। যে কারণে মোবাইলগুলো জব্দ করা হয় এবং জেলা প্রশাসন, বরিশাল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. সুশীল কুমার পালকে বিষয়টি অবহিত করা হলে তিনি ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের যাচাই-বাছাই করেন। যাচাই-বাছাই কালে ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৬ষ্ঠ সেমিষ্টারের অটোক্যাড-২ বিষয়ের বুধবারের পরীক্ষার প্রশ্নের সাথে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত করেন।
 
ইত্তেফাক/ইউবি