তানোর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের কক্ষে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ইউএনওর অফিস সহায়ক আরিফ উর রহমান আহত করা হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি ১০জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মামলা দায়ের করেছেন।
মাদক ব্যবসায়ীকে পালিয়ে যেতে সহায়তা ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে নারীসহ চারজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। তারা হলেন- তানোর পৌর এলাকার ঠাকুরপুকুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী, দুই মাসের কারাদণ্ড প্রাপ্ত শম্পা খাতুন, এক মাসের কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি একই গ্রামের টিটু মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া (২০) ও ছয়মাস কারাদণ্ড প্রাপ্ত মাদকসেবী মোহনপুর উপজেলার খয়রারমোড় গ্রামের তৌফিক ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে দুই মাদকসেবী উপজেলার চত্বরে পরিত্যক্ত ঘরে মাদক সেবন করছিলেন। তখন অফিস সহায়ক আরিফ তা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে একজন পালিয়ে গেলে অপর মাদকসেবীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে আটককৃত মাদকসেবী সাদ্দামের তথ্য মতে ঠাকুরপুকুর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী হক সাহেবকে আটক করে পুলিশ।
এসময় হকের স্ত্রীর চিৎকারে শম্পা ও শাহীন এগিয়ে এলে সুকৌশলে পালিয়ে যান হক সাহেব। পরে সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে শম্পা ও শাহীনকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহা. শওকাত আলী ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাদণ্ড দেন।
এরপর দুপুর দুইটার দিকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের কক্ষে হক সাহেবের স্ত্রী রওশন আরা (৫০), তার ছেলে মতিউর রহমান (৩০), মেয়ে সাবিনা (৩৫), আরেক মেয়ে ডলি আরাসহ (৩২) ১০জন একত্রে আরিফকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান।
এসআই মনিরুল ইসলাম বলেন, আটককৃত চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে তিনজনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
