ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাঙামাটিয়া ইউনিয়নের বড়বিলা বিল থেকে হত্যার ৯ মাস পর যুবকের কংকাল উদ্ধার করেছে পিবিআই পুলিশ। নিহত যুবক আলম মিয়ার (৩০) বাড়ি টাঙ্গাইল ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি পাহাড়ীয়া গ্রামে। তার পিতার নাম হযরত আলী। মোটরসাইকেল চুরির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হাতিলেইট গ্রামের আঃ রহমানের পুত্র সাদ্দাম মিয়া ছিলো মোটরসাইকেল চোর। সাদ্দাম ও আলম একে অপরের আত্মীয়। সেই সূত্রে উভয়ে মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। মোটরসাইকেল চুরির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে আলম মিয়াকে হত্যা করে বড়বিলা বিলে লাশ গুম করা হয়।
নিহতের মা থানায় জিডি করার পর ফুলবাড়ীয়া থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। পরে নিহতের মা মনোয়ারা বেগম ময়মনসিংহ আদালতে সাদ্দাম মিয়া, রহুল আমীন ও জুলহাসকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করার জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন। পিবিআই পুলিশের এস আই ফজলুর রহমান সাদ্দামকে আটকের পর হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসে। শুক্রবার সকালে হত্যাকারী সাদ্দামকে সঙ্গে নিয়ে বড়বিলায় লাশ উদ্ধারে আসে পিবিআইয়ের একটি দল।
স্থানীয় ডুবরীদের সহায়তায় বিল থেকে নিহত আলমের মাথার কংকাল, শরীরের অন্যান্য হাড় উদ্ধার করা হয় বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফজলুর রহমান।
নিহতের মা মনোয়ারা বেগম জানান, আমার ছেলে আলমকে ঢাকার বাসা থেকে ডেকে এনে সাদ্দাম ও তার লোকজন হত্যা করে লাশ গুম করে।
ইত্তেফাক/নূহু
