কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার শশীধরপুর গ্রামে দশম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে তিনদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রেমিক আলম মালিথার বিরুদ্ধে।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ দৌলতপুর কলেজপাড়ার একটি বাড়ি থেকে বুধবার বিকালে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। তবে ধর্ষক আলম পালিয়ে গেছে।
পুলিশ ও ধর্ষিতার পরিবার জানায়, বি. ডি. এস. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৫) গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শশিধরপুর প্রামানিক পাড়া গ্রামের কাফি মালিথার ছেলে এক সন্তানের জনক আলম মালিথা (৩০) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। উপজেলা সদর সংলগ্ন দৌলতপুর ডিগ্রি কলেজের পাশে এক বাড়িতে ৩ দিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরে বুধবার থানা পুলিশ খবর পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
ওই স্কুল ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে ধর্ষক আলমকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। দৌলতপুর থানার ওসি শাহ দারা খান জানান, ধর্ষক আলম মালিথার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ইত্তেফাক/এমআই
