গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীরা কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত থেমে থেমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। আহত মধ্যে ১৫ শিক্ষার্থীকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এরা হলেন- সমাজবিজ্ঞান চতুর্থ বর্ষের ছাত্র নিউটন মজুমদার (২৩), লোকপ্রশাসন প্রথম বর্ষের ছাত্র তুহিন (২০), মার্কেটিং ৩য় বর্ষের ছাত্র মুন (২২), মুরাদ (২২), পদার্থবিজ্ঞান ১ম বর্ষের ছাত্র আসিফ (২০), সুব্রত (২০), এআইএস ২য় বর্ষের ছাত্র তিতাস (২১), ম্যানেজমেন্ট মাস্টার্সের ছাত্র অরূপ (২৪), সমাজবিজ্ঞান ২য় বর্ষের ছাত্র মিহিন (২১), নাজমুল ইসলাম পাভেল (২১), নাইম হোসেন (২১), আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ৩য় বর্ষের ছাত্র মহসিন (২২), মিজান (২২), সিএসই ২য় বর্ষের সিহাব ছাত্র (২১) এবং আমিনুর।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র ও স্থানীয় গোবরা গ্রামের যুবকরা ফুটবল খেলছিল। খেলার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ছাত্ররা ক্যাম্পাসের পুকুরে গোসল করার সময় স্থানীয়রা কয়েকজন ছাত্রকে মারধর করে। এ খবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা একত্রিত হয়ে ক্যাম্পাসের সামনের সড়কের পাশের এবং সোবহান সড়কের কয়েকটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে স্থানীয় গোবরা গ্রামের লোকজন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেইন ফটকে অবস্থান নিয়ে ছাত্রদের মারধর করে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি রাশান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
