বাঁধ মেরামত না হওয়ায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৮, ১৮:২০
বরাদ্দ না পাওয়ায় রংপুরের তিস্তা নদীর ডান তীরের বাঁধ মেরামত হয়নি। ফলে এখন তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি হলেই বন্যা কবলিত হচ্ছে ওই এলাকার মানুষ। 
 
গত বছরের বন্যায় তিস্তা নদীর তীররক্ষা বাঁধের ২০টি ও ক্যানেল বাঁধের পাঁচটি স্থান পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায়। এসব স্থান মেরামতের জন্য ১৬৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করে বরাদ্দ চেয়েছিল পানি উন্নয়ন বোর্ডে (পাউবো)। বরাদ্দ না আসায় ডান তীর বাঁধের  ৮ থেকে ১০টি স্থান মেরামত করা হয়নি। 
 
রংপুর পাউবো সূত্রে জানা গেছে, গত বছর বন্যার সময় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা, কচুয়া, নোহালি, মর্ণেয়া, আলমারবাজার, নীলফামারীর ডিমলা, জলঢাকা, লালমনিরহাটের সদর, কালীগঞ্জ ও হাতীবান্ধার বন্যা নিয়ন্ত্রণের বাঁধের কমপক্ষে ২০টি স্থান ভেঙ্গে যায়। এতে পানিবন্দি হয়ে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের কয়েক লাখ মানুষ। গত বন্যার পরই ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের জন্য রংপুর পাউবো ১৬৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করে ঢাকায় পাঠায়।  প্রায় এক বছরেও প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কোনো বরাদ্দ আসেনি। 
 
ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, এবারও তিস্তার পানিতে ক্ষয়ক্ষতির  পরিমাণ ভয়াবহ হতে পারে।
 
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম চৌধুরী জানান, বরাদ্দের অভাবে বাঁধের বেশ কটি স্থান মেরামত করা সম্ভব হয়নি।
 
রংপুর অফিসের আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আলী জানান, আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে রংপুর অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা করছেন।
 
ইত্তেফাক/ইউবি