এক গৃহবধূর হাত কেটে দেয়ার মামলায় গৃহবধূর স্বামী লিটনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আটক লিটন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের কসাইপাড়া গ্রামের মৃত কুদরত আলীর ছেলে। ৯ জুলাই সোমবার রাতে শেরপুর জেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে ঝিনাইগাতী থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
লিটনের স্ত্রীর নাম কুলসুম বেগম (১৯)। যৌতুকের দাবিতে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তার হাত কেটে নেওয়া হয়েছিল। ১০ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুর সদর সার্কেল আমিনুল ইসলাম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
উল্লেখ্য, গত এক বছর আগে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের লিটন মিয়ার সাথে কুলসুম বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে কুলসুমের উপর চাপ দিতে থাকে লিটন মিয়া। কুলসুম তার স্বামীর যৌতুকের দাবি পুরণ করতে না পারায় কুলসুমকে দিয়ে তার স্বামী দেহ ব্যবসা করানোর চেষ্টা করে। স্বামীর কথামতো দেহ ব্যবসায় রাজি না হলে গত ১৩ জুন বিকেলে কুলসুমের স্বামী লিটন মিয়া ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা কুলসুমের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে লিটন ধারালো দা দিয়ে কুলসুমের ডান হাতের কব্জির ওপর থেকে হাত কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেয় বলে মামলার সূত্র থেকে জানা যায়।
এ ঘটনায় ৩ জুলাই কুলসুম বেগম বাদী হয়ে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্বামী লিটনসহ ৬ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।
ইত্তেফাক/নূহু্
