আলমডাঙ্গায় চার স্কুল ছাত্রীকে মাঠে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা

আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৮, ২১:৩৬
আলমডাঙ্গার ঘোলদাড়ি গ্রামের চার শিশু ছাত্রীকে মাঠের ভেতর নিয়ে শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মিঠুন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গতকাল স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে মিঠুন তৃতীয় শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রীকে প্রথমে সড়কের পাশের ধইঞ্চা ক্ষেতে নিয়ে মাটিতে শুইয়ে ফেলে।
 
এ সময় ছাত্রীটির সঙ্গে থাকা আরো তিন ছাত্রী রাস্তায় দাঁড়িয়ে বান্ধবীর জন্য চিৎকার করতে থাকে। তখন মিঠুন বাকি তিনজনকেও ওই ক্ষেতের মধ্য নিয়ে যায়। সে প্রত্যককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। ছাত্রীদের চিৎকারে লোকজন ছুটে এলে মিঠুন দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে লাঞ্ছিত ছাত্রীদের অভিভাবক থানায় মিঠুনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
 
লাঞ্ছিত ছাত্রীরা জানায়, স্কুল ছুটির পর তারা চার ছাত্রী একসঙ্গে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় তাদের পিছু নেয় একই গ্রামের আতিয়ারের বিবাহিত ছেলে মিঠুন।তারপর তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে!
 
গ্রাম সূত্রে জানা গেছে, বিবাহিত মিঠুন বিকৃত মস্তিস্কের একজন অভদ্র আচরণকারী মানুষ। এলাকায় তার চরিত্রহীনতা নিয়ে অনেক কাহিনী রয়েছে। কিন্ত তার উগ্র আচরনের ভয়ে গ্রামের মানুষজন প্রতিবাদ করতে পারে না।
 
থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খান বলেন, এটা এক ধরনের মানসিক বিকারগ্রস্ত রোগ। পুলিশ মিঠুনকে আটকের আপ্রাণ চেষ্টা করছে। সে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্ত সে যেখানেই থাকুক পুলিশ তাকে ধরবে।
 
ইত্তেফাক/নূহু