নাভারণবাসীকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন সংসদ সদস্য

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০১৮, ২১:২৭
‌‘সরকার আসে সরকার যায়, ভাগ্য বদলায় না যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার নাভারণ ইউনিয়নবাসীর। স্বাধীনতার পর যে কয়জন স্থানীয় সংসদ সদস্য হয়েছেন সবাই ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এলাকার রাস্তা পাকা করবেন, স্কুল কলেজের উন্নয়ন করবেন। কেউ কথা রাখেননি। কথা রেখেছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির।’-কথাগুলো বলছিলেন আমিনী গ্রামের নওশের আলী মণ্ডল (৬০)। 
 
তিনি বলেন, সংসদ সদস্য মনির নাভারণ ইউনিয়নের ৫টি সড়ক নির্মাণ করে এক সময়ের চরম অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া এই জনপদের দুর্ভোগ-দুর্দশা লাঘব করেছেন।  একই অভিমত ব্যক্ত করে এলাকার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন একই গ্রামের জামাল উদ্দীন, আজগর আলী, ইকবল হোসেন, তফেল উদ্দীন প্রমুখ।
 
তারা বলেন, এমপির প্রচেষ্টার ফলে আমাদের এলাকার রাস্তা-ঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তিনি আমাদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি তার কথা রেখেছেন। 
 
নাভারণ ইউনিয়নের সড়কগুলো হলো- শরীফপুর-মঠবাড়ি সড়ক, চারাতলা-আন্দোলপোতা, কলাগাছি-দেউলি, রামচন্দ্রপুর-কলাগাছি, নাভারণ (শেখ আকিজ কলেজ)-বেলেরমাঠ সড়ক। এসব সড়কপথে ইউনিয়নের চব্বিশটি গ্রামের ৩ লাখের বেশি মানুষ যাতায়াত করেন।
 
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দেউলি গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল হোসেন বলেন, ভোটের অাগে সবপ্রার্থীই  জনসভায় বলে গেছেন জিতলে রাস্তা করে দেব, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেব। জেতার পরে তাদের অার কোনো খোঁজ থাকতো না। অবশেষে আমাদের ঘরে বিদ্যুৎ এসেছে, রাস্তা পাকা হয়েছে। আমরা শেখ হাসিনার সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ, এমপি মনিরের কাছে কৃতজ্ঞ।
 
নাভারণ ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান আলী স্থানীয় সংসদ সদস্যকে উন্নয়নবান্ধব ও গণমানুষের নেতা উল্লেখ করে বলেন, ‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে তার মতো কর্মঠ ও যোগ্য নেতাকে আবারো জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই।’ 
 
চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী তার ইউনিয়নের অবকাঠামোসহ সার্বিক উন্নয়নে এমপি মনিরের আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছেন স্মরণ করে বলেন, আমার নাভারণ ইউনিয়নের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যে সুবিধা পেয়েছেন তা কেবলমাত্র স্থানীয় সংসদ সদস্যর আন্তরিক সহযোগিতার কারণে সম্ভব হয়েছে। এলাকাবাসীর এসব উন্নয়ন ও এমপি মনিরের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবেন।
 
ইত্তেফাক/কেকে