৫ম বর্ষে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৮, ১৯:০২

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ১৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে ইউএস-বাংলা বাংলাদেশের বিমান পরিবহন শিল্পে যাত্রা শুরু করে একের পর এক অনন্য নজির স্থাপন করছে, অর্জন করেছে সাফল্যের মাইলফলক।

শুরু থেকেই নিজস্ব ক্যাটারিংসহ ইন-হাউজ ট্রেনিং সুবিধা, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ইন-ফ্লাইট সার্ভিস, যা যাত্রী সাধারনের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

বর্তমানে অভ্যন্তরীণ রুটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, বরিশাল, রাজশাহী রুটে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স যাত্রা শুরুর দু’বছরের মধ্যে ১৫ মে ২০১৬ তারিখে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যেমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ঢাকা থেকে কলকাতা, মাস্কাট, দোহা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক ও গুয়াংজু রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে কলকাতা, মাস্কাট ও দোহা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। নিকট ভবিষ্যতে আবুধাবী, জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মাম, দুবাই, হংকং, দিল্লী ও চেন্নাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছেইউএস-বাাংলা এয়ারলাইন্স।

বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে মোট সাতটি এয়ারক্রাফট রয়েছে, যার মধ্যে ১৬৪ আসনের চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং ৭৬ আসনের তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট আছে। বর্তমানে সপ্তাহে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ৩৩০টির অধিক ফ্লাইট পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত চার বছরে ইউএস-বাংলা প্রায় বিয়াল্লিশ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করে বাংলাদেশে আকাশ পরিবহনে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দঘন মূহুর্তে বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যে কোন ধরনের প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। আমাদের বিমান বহরে অধিক সংখ্যক আধুনিক বিমান যুক্ত করে চলেছি। বহরে অধিক সংখ্যক বিমান ও অধিক গন্তব্য সম্প্রসারনের লক্ষ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কাজ করে যাচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে ইউএস-বাংলা পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।”

এছাড়া পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে তিনি বলেন, “ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সাফল্যে ভরা চার বছর এর সাথে যে সকল সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্ট, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।”

ইত্তেফাক/নূহু