ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর: ওয়ানডে সিরিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশা

আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৮, ১১:৫৩
টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল বাংলাদেশ দল। ক্যারিবিয়ান পেসারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সাকিব আল হাসানের দল। তবে ওয়ানডেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ার আশা করছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে এক ঝাঁক তরুণ ক্রিকেটার গিয়েছেন জ্যামাইকায়। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ভালো প্রতিযোগিতা হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
 
আগামী ২২ জুলাই গায়ানায় অনুষ্ঠিত হবে প্রথম ওয়ানডে। ২৫ জুলাই একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ওয়ানডে। ২৮ জুলাই সেন্ট কিটসে মাঠে গড়াবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।
 
টেস্টের ব্যর্থতা ভুলে প্রিয় ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করবে। এই ফরম্যাটে উইন্ডিজদের বিরুদ্ধে ২৮ ম্যাচ খেলে সাতটি জয় বাংলাদেশের। যার মধ্যে চারটি দেশের মাটিতে, তিনটি ক্যারিবিয়ানে (২০০৯ সালে)। ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ভালো দল বলেই আশাবাদী হচ্ছেন শাহাদাত হোসেন রাজীব। ডানহাতি এই পেস বোলার গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে বলেছেন, ‘ওয়ানডেতে আমরা অনেক ভালো দল এবং এখানে আমাদের অনেক ভালো প্রতিযোগিতা হবে ওদের সঙ্গে। ওরা আমাদের সাথে খুব সহজেই জিতবে এমন হবে না।’
 
টেস্টে বাংলাদেশের পেসাররা কেমার রোচ-শ্যানন গ্যাব্রিয়েল- হোল্ডারদের মতো জ্বলে উঠতে পারেননি বল হাতে। তরুণ আবু জায়েদ রাহী নজর কাড়লেও তা ম্যাচে ব্যবধান গড়ার মতো পারফরম্যান্স ছিল না। কামরুল ইসলাম রাব্বি প্রতিপক্ষের জন্য হুমকি হতে পারেননি। তবে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ অনেক শক্তিশালী, বৈচিত্র্যময়। অভিজ্ঞ মাশরাফি রয়েছেন। তরুণ বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের উপর প্রত্যাশা অনেক। চোট কাটিয়ে ফেরা মুস্তাফিজের সঙ্গে রুবেল হোসেন আছেন। একাদশে থাকতে পারেন এই তিন পেসারই। শাহাদাত মনে করেন, বাংলাদেশের পেসারদের কারণেই ওয়ানডেতে ক্যারিবিয়ানদের কাজটা কঠিন হবে। ভালো লড়াই হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে।
 
গতকাল বাংলাদেশের পেস আক্রমণ নিয়ে শাহাদাত বলেছেন, ‘ওয়ানডের জন্য আমার মতে পেস আক্রমণ পরিপূর্ণ। কারণ দলে একজন সবথেকে বেশি সিনিয়র পেস বোলার রয়েছে যিনি হলেন মাশরাফি ভাই।’
 
বল হাতে মুস্তাফিজের সেরাটাই চাইছেন গত কয়েক বছর আগেও জাতীয় দলে নিয়মিত খেলা শাহাদাত। তিনি বলেন, ‘আরো আছেন মুস্তাফিজুর রহমান। আমার দেখা মতে সে এখনও দেশের সেরা বোলার। বিশেষ করে ওয়ানডে ফরম্যাটের জন্য ও এখনও সেরা। টি টোয়েন্টি কিংবা ওয়ানডে বলেন ওর সামর্থ্য রয়েছে। বাংলাদেশ দলকে যখন তখন পরিবর্তন করে দিতে পারে সে এবং এখনও সে বিশ্বাস করে যে সে পারবে।’ 
 
শাহাদাত মনে করেন, বোলিংয়ের ভালো পারফরম্যান্স আত্মবিশ্বাস ফেরাবে দলে। তখন ব্যাটিংও ভালো হবে। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার বলেন, ‘ওয়ানডেতে আমরা বেশ ভালো দল এই নিয়ে সন্দেহ নেই। আমাদের বোলিং ভালো হলে দেখবেন ব্যাটিংও ভালো করতে পারবো। আর বোলিং বিভাগে আমি বলবো যে রুবেল অনেক ভালো বোলিং করে ওয়ানডেতে, রাহী আছে সে অনেক তরুণ একজন পেসার। এছাড়াও রনি আছে। সবমিলিয়ে দুটি নতুন পেসার আর তিনজন অভিজ্ঞ বোলার রয়েছে, সুতরাং সবমিলিয়ে ওয়ানডেতে প্রতিযোগিতা ভালো হবে।’
 
ইত্তেফাক/কেআই