ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গণপরিবহণশূন্য রয়েছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক। ধর্মঘটের চতুর্থ দিন রবিবার মানিকগঞ্জের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।
ঢাকাগামী বেশ কয়েকজন যাত্রী জানান, শনিবারও তারা ট্রাকসহ বিভিন্ন পরিবহনে গাবতলী পর্যন্ত পৌঁছেছেন। কয়েকদিন ধরে যান চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানি না আর কতদিন এভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হবে!
এ সময় হানিফ মিয়া নামের এক যাত্রী জানান, ‘আমি ঢাকায় রিকশা চালাই। আমি আমার দেশের বাড়ি রাজবাড়ীতে গিয়েছিলাম।আজকে ঢাকায় উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছি। বাস না থাকায় আমাকে ট্রাকে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হতে হচ্ছে।’
IMG0
শুভযাত্রা পরিবহনের কয়েকজন বাসচালক জানান, ঢাকায় ছাত্রদের আন্দোলনে গাড়ি ভাঙচুর করা হচ্ছে। আমরা চাই না আমাদের বাসগুলোও ভাঙচুর হোক। তাই নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমরা আমাদের বাসগুলো বন্ধ রেখেছি।
এ বিষয়ে জেলা বাস, মিনিবাস অনার্স গ্রুপের সভাপতি জাহিদুল আসলাম জানান, ‘নিরাপত্তার কারণে আমরা আমাদের সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশক্রমে সকল প্রকার দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ রেখেছি। তবে স্থানীয়ভাবে ছোট যানবাহন চলাফেরা করছে।’
ইত্তেফাক/বিএএফ
