দাঁত সুস্থ ও সুন্দর রাখাতে করনীয়

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১৮:১১
কথায় আছে, সুন্দর হাসি দিয়ে বিশ্ব জয় করা যায়। আসলেই তাই। তবে সুন্দর হাসির জন্য চাই সুস্থ ও উজ্জ্বল চকচকে দাঁত। তা না হলে হাসি দেওয়াই যে কষ্টকর হয়ে ওঠে। দাঁত কীভাবে ভালো রাখতে হবে সে সম্পর্কে আমাদের অধিকাংশেরই কোনও ধারণা নেই। এমনকি ঠিক কীভাবে মাজলে দাঁত ভালো থাকবে সেটাও আমরা অনেকেই জানি না। চিকিৎসকেরা দিনে দুইবার অবশ্যই দাঁত মাজার পরামর্শ দেন। তবে সেটা আমরা সবাই মেনে চলি এমন নয়। এমনকি মেনে চললেও তা ততটা ফলপ্রসূ হয় না। ফলে দাঁতের ক্ষতি হতে থাকে। দাঁতের যত্ন সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে আমরা অতিরিক্ত যত্নবান হয়ে উঠি ফলে হিতে বিপরীত হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক দাঁত সুস্থ ও সুন্দর রাখার উপায়...
 
হালকাভাবে ব্রাশ করা: জোরে নয় ধীরে সময় নিয়ে ব্রাশ করা জরুরি। শক্তি প্রয়োগ করে ব্রাশ করলে দাঁত ও মাড়ি দুটিরই ক্ষতি হয়। তাই এই বিষয়ে সাবধান হওয়া প্রয়োজন।
 
প্রতিবার আলাদা আলাদা জায়গায় ব্রাশ করা: সমীক্ষায় দেখা গেছে, আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ একই জায়গা দিয়ে ব্রাশ করা শুরু করেন। ফলে সেই জায়গাটি ব্রাশ করার সময়ে যতটা সময় ও গুরুত্ব পায়, বাকি জায়গা ততটা ভালো করে পরিষ্কার করা হয় না। ফলে প্রতিবার ব্রাশ করার সময়ে শুরুর জায়গা বদলে নেওয়া জরুরি।
 
অন্তত ২-৩ মিনিট ব্রাশ করা: তাড়াহুড়ো করে অনেকেই কোন মতে ব্রাশ করে ছেড়ে দেন। এটা কখনোই উচিত নয়। অন্তত ২-৩ মিনিট ধরে হালকাভাবে ঘুরিয়ে ব্রাশ করা উচিত। অনেকে অনেকক্ষণ ধরে ব্রাশ মুখে বসে থাকাও উচিত নয়।
 
ফল ও শাক-সবজি খাওয়া: ফল ও শাক-সবজি খেলে দাঁতের উপরে সাদা আস্তরণ জমে না। ব্যাকটেরিয়ার বাস এই আস্তরণে যা ফল বা শাক-সবজি খেলে দূর হয়। 
 
ভেতরের দাঁতের যত্ন: আমাদের মধ্যে অনেকেই সামনের পাটির দাঁতগুলোর বেশি যত্ন নেন। তবে যে দাঁত দিয়ে আমরা চিবিয়ে খাই সেগুলোর প্রতি যত্নবান হওয়াও সমান প্রয়োজনীয়।
 
খাওয়ার আধঘণ্টা পর ব্রাশ করুন: খাওয়ার পর আমাদের মুখের ভেতর অ্যাসিড বেশি থাকে। ফলে সেই সময়ে ব্রাশ করলে দাঁতের ক্ষতির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাই অন্তত আধঘণ্টা পরে ব্রাশ করলে সবচেয়ে ভালো হয়।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ