স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ উপলক্ষ্যে আর্টক্যাম্প, চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বঙ্গবন্ধুর উপর রচিত বইয়ের পাঠ ও পর্যালোচনা, কারাগারের রোজনামচা ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে পাঠ, কবিতায় বঙ্গবন্ধু ‘শ্রাবণের শোকগাঁথা, নৃত্যনাট্য-যতদিন রবে পদ্মা মেঘনা, ঢাকা থেকে টুঙ্গীপাড়া ‘শতবাউল শিল্পীদের শিল্পযাত্রা’ পথে পথে শ্রদ্ধাঞ্জলি, মহাপ্রয়াণের শোক আখ্যান নাটক ‘শ্রাবণ ট্রাজেডি’ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুর মহান সংগ্রাম জীবন-ভিত্তিক ঐতিহাসিক নাট্যালেখ্য ‘মুজিব মানে মুক্তি’ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ শোকের মাসে নানান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
এসব কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে আজ ১৭ আগস্ট সন্ধ্যায় জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত কবিতা ‘শ্রাবণের শোকগাঁথা, শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রথমে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারন সম্পাদক আহ্কাম উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য শেষে আবৃত্তি করেন শিল্পী সৈয়দ হাসান ইমাম, আশরাফুল আলম, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, রূপা চক্রবর্তী, ডালিয়া আহমেদ, বেলায়েত হোসেন, গোলাম সারোয়ার, ইস্তেকবাল হোসেন, হাসান আরিফ, শিমুল ইউসুফ, মাহিদুল ইসলাম, এনামুল হক বাবু, মাশকূর-এ-সাত্তার কল্লোল, ফয়জুল আলম পাপ্পু, ড. শাহাদাত্ হে সেন নিপু, নায়লা তারান্নুম কাকলী, মীর মাসরুর জামান রনি, মাসুদুজ্জামান, মজুমদার বিপ্লব, মাসুম আজিজুল বাশার, আহসানউল্লাহ্ তমাল, মনিরুল ইসলাম, শিরিন ইসলাম, মিজানুর রহমান সজল, ঝর্না সরকার ও জামাল উদ্দীন হীরা।
এছাড়াও আজ শেষ হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠতম বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেশের খ্যাতিমান ও প্রবীণ এবং নবীন শিল্পীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত আর্টিস্ট ক্যাম্পের শিল্পকর্ম নিয়ে ১২-১৭ আগস্ট সপ্তাহব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী।
ইত্তেফাক/এএম
