দুই দশক যাবত তিব্বতি স্ন্যাক্স মোমোর জনপ্রিয়তা রয়েছে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গে। ময়দার পাতলা আস্তরণে মোড়া মাংসের পুর দিয়ে ভাপানো এই খাবারটি খেতে পছন্দ করেন অনেকে। কিন্তু ‘মোমো’ নামটি এখন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকের কাছে। এই মোমো কোন খাদ্য নয়। একটি অনলাইন গেম - অনেকটা ব্লু হোয়েলের মতো।
খেলাটির অনেকগুলো ধাপ রয়েছে, একেকটি ধাপে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে আপনাকে। সেটি পার হতে পারলে পরের ধাপ। আর শেষ চ্যালেঞ্জ হবে আত্মহত্যার। প্রথম ধাপের চ্যালেঞ্জ অনেকের কাছেই ছুঁড়ে দিচ্ছে এই গেম। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ডিসপ্লে প্রোফাইলে একটি বীভত্স মুখ প্রথমে বলছে, ‘হাই, আই অ্যাম মোমো’। এই মেসেজটিই এসেছিল জলপাইগুড়িতে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এক নারী কর্মী শেফালি রায়ের কাছে। তিনি জানান, প্রথমে ভেবেছিলাম কেউ মজা করছে, তাই রাতে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজটি পেয়েই জবাব দিয়েছিলাম, ‘আই অ্যাম চাউমিন’, মানে তুমি মোমো হলে আমি চাউমিন’। যে মুখটি ব্যবহার করা হচ্ছে মোমোর ডিসপ্লে পিকচার হিসাবে, সেটি আসলে ‘মাদার বার্ড’ নামে সুপরিচিত একটি পেইন্টিং। ওই নারী পুলিশ কর্মীকে এরপরে এমন কিছু চ্যালেঞ্জ দেয়া হয়, যাতে তিনি বুঝে যান যে নিছক মজা নয় ব্যাপারটা। তারপর মোমো ভয় দেখায়। তিনি কে, কোথায় থাকেন, কী করেন, সব জানে ‘মোমো’। এই খেলায় অংশ না নিলে খুন করারও হুমকি দেয়া হয়। -বিবিসি
