ফার্মা এইচআরসি সোসাইটি নিয়ে মুত্তাকিম

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ২০:২৪

একজন সৃজনশীল সংগঠক ও মানবসম্পদ পেশাদার মো. মুত্তাকিন হাসান। তিনি পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করে আসছেন। হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও অফিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে ১৪ বছরের অধিক সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। হাসান ঢাকা কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ এবং সেন্ট্রাল ল’ কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি সফলতার সঙ্গে পিজিডিএইচআরএম সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিস ফ্যাকাল্টির অধীন মাস্টার্স অব প্রফেশনাল হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে অধ্যয়ন করছেন।       

হাসান বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস এইচআর সোসাইটির একজন অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের একজন সক্রিয় সদস্য। হাসান একজন কবি ও লেখক। এরমধ্যেই তাঁর ইংরেজি কবিতার বই ‘অ্যা সিড অব ড্রিম’ বিশ্বের বিখ্যাত গ্রন্থাগার-লাইব্রেরি অব কংগ্রেস, ইউএসএ প্রদর্শনের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

তিনি বর্তমানে একটি বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। 

ফার্মা এইচআর সোসাইটি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্মা এইচআর  সোসাইটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো—নজেদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করে পেশাগত জ্ঞান অর্জন, প্রচার ও বিস্তার করা। দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নের জন্য এইচআর নীতি ও বিভিন্ন পদ্ধতি সুপারিশ করা। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত সমসাময়িক বিষয়গুলোতে শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি বা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ আয়োজন করা। প্রয়োজনে অন্যান্য পেশাদার সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় উন্নততর মানবসম্পদ পেশাজীবী তৈরি করা।’

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে মো. মুত্তাকিন হাসান বলেন, ‘ছাত্রজীবনেই ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করতে হবে। যার শুরুটা যত আগে হবে, সে তার লক্ষ্যে তত তাড়াতাড়ি পৌঁছাতে পারবে। কোনো সিদ্ধান্তহীনতা নয়। সময়োপযোগী একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সে মোতাবেক কিছু সংশ্লিষ্ট ডিপ্লোমা করা আর তাও যদি সম্ভব না হয়, তাহলে পড়ালেখার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ নিতে হবে। কারণ আমাদের দেশে কর্মস্থানের চাহিদার সঙ্গে নেই শিক্ষাব্যবস্থার সমন্বয়।

‘ছাত্র থাকা অবস্থায় বাড়িয়ে দিন আপনার নেটওয়ার্কিং। কোলাবরেশন, নেটওয়ার্কিং ও যোগাযোগ নতুন চিন্তা, নতুন কর্মপন্থা এবং নতুন সুযোগ তৈরি করে। আমরা কিভাবে অন্য একজন ব্যক্তির কাছে সুন্দরভাবে আমাদের উপস্থাপনা করতে পারছি, তা-ই হলো আমাদের যোগাযোগের দক্ষতা। আমরা যখন চাকরির খোঁজ করি, তখন বিভিন্ন রেফারেন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেরা রেফারেন্স তারাই, যারা আমাদের পছন্দ করে।

‘আধুনিক যুগ সামাজিক যোগাযোগের যুগ। যদি পিছিয়ে থাকেন তাহলে নিজেকে আপনি অনেক দূরে সরিয়ে রেখেছেন। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম চাকরি পাওয়ার বড় ক্ষেত্র। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু সময় দিন। অনেকের খোঁজ পাওয়ার পাশাপাশি পরামর্শও মিলবে। ক্যারিয়ার রিলেটেড সভা-সমিতিগুলোতে অংশগ্রহণ করে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার পাশাপাশি নতুন নতুন বন্ধু তৈরি করুন, সর্বোপরি লিংকড ইন ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় অ্যাকটিভ থাকতে হবে।’

 

 

০