খাগড়াছড়ির গুইমারার সিন্ধুকছড়ি ইউনিয়নের ৫৬৯ জন প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাভোগীর কাছ থেকে কেটে নেওয়া টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। ভাতা বিতরণের খরচ মেটাতে এবং একজন অসুস্থ ইউপি মেম্বারের চিকিত্সার জন্য ভাতাভোগীদের কাছ থেকে জনপ্রতি দুশ টাকা করে কেটে নেওয়া হয়। গত রবিবার দৈনিক ইত্তেফাক এর প্রথম পাতায় ‘সরকারি ভাতার টাকা আত্মসাত্’ শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হলে প্রশাসনিক পর্যায়ে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।
একাধিক সূত্র জানায়, ইত্তেফাকে রিপোর্টটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের নজরে আসে। সূত্র জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে খাগড়াছড়ি জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোমবার গুইমারা উপজেলার সিন্ধুকছড়ি ইউনিয়নে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি ভাতাভোগীদের সাথে কথা বলেন এবং ইত্তেফাকে প্রকাশিত রিপোর্টের তথ্যের সত্যতা যাচাই করেন। সূত্র জানায়, সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম সিন্ধুকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ভাতাভোগীদের কাছ থেকে কেটে নেওয়া টাকা দ্রুত ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেন। সোম ও মঙ্গলবার ৫৬৯ জন ভাতাভোগীকে ইউনিয়ন পরিষদে খবর দিয়ে এনে কেটে নেওয়া টাকা ফেরত দেন ইউপি চেয়ারম্যান রেদাক মারমা। এদিকে, ভাতার টাকা কেটে রাখার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে শোকজ করা হয়েছে। গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভাতা বিতরণ কমিটির সভাপতি এ শোকজ করেন।
