ফরিদপুরের-৪(চরভদ্রাসন ও সদরপুর) মিলে এক সময় ছিল আসনটি বর্তমানে (ভাঙ্গা,সদরপুর ও চরভদ্রাসন)। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক নানা হস্তক্ষেপে এ আসনটি বাদ দেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না উল্লেখ করে এ আসনটি পুনুরুদ্ধার করার আশ্বাস দিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। উপজেলা পরিষদ হলরুমে মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ উপজেলার আসনটি ২০২০/২১ সাল নাগাদ পুনরুদ্ধারের আশ্বাস দেন তিনি। দীর্ঘ ৩৬বছর পর উপজেলাবাসী তাদের অতি কাছের মানুষ (চরভদ্রাসন উপজেলার সাবেক ইউএনও) সিইসি কেএম নুরুল হুদাকে কাছে পেয়ে জাতীয় নির্বাচনের জন্য এ আসনটি পুনরুদ্ধারের দাবি জানান।
এ সময় এলাকাবাসীর বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি নুরুল হুদা চরভদ্রাসন উপজেলায় তার চাকুরি জীবনের স্মৃতি চারন করে বলেন, ‘কোনো কাজই কারো একার পক্ষে করা সম্ভব নয়, সকলের সহযোগীতা থাকলে উন্নয়ন মূলক যেকোনো কাজ সহজেই করা সম্ভব। এই উপজেলায় দ্রুত স্মার্টকার্ড দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদানের পাশাপাশি পদ্মা নদী বেষ্টিত এই উপজেলার চরাঞ্চলে একটি পর্যটন কেন্দ্র করার ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যানকে একটি প্রকল্প তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাতে বলেন সিইসি নুরুল হুদা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অ.দা.) পূরবী গোলদারে’র সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মোবাশ্বের হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আতিকুল ইসলাম (সদর সার্কেল), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান তালুকদার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নওয়াবুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মোতালেব মোল্যা, ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী, মো. আজাদ খান, ব্যাবসায়ী মো. নজরুল ইসলাম, মো. করিম মোল্যা ও শিক্ষক মো. ইব্রাহীম খলিল প্রমুখ।
আরও পড়ুন: সবাই জাতীয় পরিচয়পত্রের আওতায় এলে অপরাধ কমবে: ইসি সচিব
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা বেগম, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. হারুন অর রশিদ, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ইত্তেফাক/কেকে
