এমপিওর ১০% কর্তন অপ্রত্যাশিত

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৩৯

বার্ষিক ৫% প্রবৃদ্ধি, ২০% বৈশাখীভাতা বাস্তবায়নের পরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ১৫-৪-২০১৯ তারিখের আদেশে আমরা এমপিওভুক্তগণ খুবই হতাশ। এতে এপ্রিল মাসের বেতন থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের চাঁদা ৬% এবং ৪% জমা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। আগে ছিল ৪% এবং ২%। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমপিওভুক্তদের অবসর ও কল্যাণভাতা পেতে যেন বিলম্ব না হয়, এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের ফলে ভোগান্তিও কমেছে। এখন নতুন করে বর্ধিত ৪% কর্তনে বিষয়টি দাঁড়াল ৫% দিয়েই ৪% কর্তন! আগেও অনুরূপ আদেশ জারি হলেও  নির্বাচনের আগে কার্যকর হয়নি।

‘জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড রুলস, ১৯৭৮’-র ৯ (১) (বি) সংশোধিত ধারায় আছে, ‘সরকারি চাকরিজীবী তার মূল বেতনের সর্বনিম্ন ৫% থেকে সর্বোচ্চ ২৫% প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা রাখতে পারবেন’। এমপিওভুক্তগণ সরকারের কাছ থেকে ‘অনুদান’ পেয়ে অবসর-কল্যাণে ৬% জমা রাখেন। আমাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ উত্সবভাতা, বাড়িভাড়া, চিকিত্সাভাতা, গৃহঋণ সুবিধা ইত্যাদি চালু হবার আগেই ১০% কর্তনের নির্দেশনায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। বছরে এমপিওর একমাসের বেশি টাকা থাকবে না। আয়কর বাবদও যায় অনেক টাকা। আসন্ন রমজান ও ঈদের আগে অতিরিক্ত ৪% কর্তনের নির্দেশনা অপ্রত্যাশিত। এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ

সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক স্টাডিজ, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, কাপাসিয়া, গাজীপুর ১৭৩০