মুরগির খামার করে সফল আনসার সদস্য

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:১৪
সুনামগঞ্জে ছাতক উপজেলা আনসার কোম্পানি কমান্ডার ফারুক আহমদ আত্মকর্মসংস্থানে এক সফল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি বর্তমানে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
 
১৯৯২ সালে এসএসসি পাস করে সংসারের দায়িত্ব হাতে নিয়ে লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায় তার। সংসারে মা-বাবা ছাড়াও এক ভাই ও বোন রয়েছে তার। ফারুক আহমদ সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা।
 
১৯৯৩ সালে সুনামগঞ্জে প্রশিক্ষণসহ ২১ দিনের সাধারন আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ করে আনসার বাহিনীতে যোগদান করেন ফারুক। ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন আনসার ক্যাম্পে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পাশাপাশি আনসার ভিডিপির বিভিন্ন পেশা ভিত্তিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান। 
 
২০০৬ সালে মাত্র ১০ হাজার টাকা পুঁজি ও পূবালী ব্যাংক থেকে তিনি অল্প লোন নিয়ে নিজ বাড়িতে তৈরি করেন ব্রয়লার মোরগের একটি খামার। সে খামার হতে মোটামুটিভাবে তিনি লাভবান হওয়া শুরু করেন। ২০০৮ সালে ৩ হাজার ব্রয়লার মোরগে খামারটি বৃদ্ধি করেন। 
 
এরপর ২০০৯ সাল থেকে তিনি ফিড ও চিকস্ কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর হতে সাব ডিলার হিসেবে ফিড ও চিকসের ব্যবসা শুরু করেন। ২০১১ সালে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসার পাশাপাশি কাজী ফার্মস কো. লিমিটেডের ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে তিনি নিয়োগ পান। ২০১২ সালে রেনাটা এগ্রো ইন্ড. লিমিটেড, ২০১৩ সালে শ্রেষ্ঠ ফিড লিমিটেড, ২০১৫ সালে আমান ফিড লিমিটেডের ও ডিস্ট্রিবিউটর হন তিনি। পোল্ট্রি ও ফিড ব্যবসায় লাভবান হয়ে বর্তমানে ছাতক পৌরসভায় একটি বাড়ি ও ব্যবসা পরিচালনাসহ ২টি গাড়ির মালিক হয়েছেন ফারুক আহমদ। তিনি বর্তমানে একজন সফল ব্যবসায়ী। 
 
আনসার ভিডিপি অনেক সদস্যকে ব্যবসাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে তিনি উৎসাহিত করেছেন। বর্তমানে ৬ জন ভিডিপি সদস্য ও ১ জন সদস্যা তার ব্রয়লার খামারের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে খামার ব্যবসা করছেন। 
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ