সাত বছর পর সিরিয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচন

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:২৪
সাত বছর পর স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিরিয়ায়। ২০১১ সালে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম রবিবার সরকার-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচন শুরু হয়েছে। 
 
স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৭:০০ টায় দেশজুড়ে সরকার-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে ভোটকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। নির্বাচনে পুরো দেশজুড়ে স্থানীয় প্রশাসনিক পরিষদের ১৮,৪৭৮টি আসনের জন্য লড়াই করছেন ৪০ হাজার প্রার্থী।   
 
সাধারণত রবিবার কর্মদিবস হিসেবে পালিত হয় সিরিয়ায়। তবে ‘উচ্চ অংশগ্রহণের’ জন্য ভোট গ্রহণের সময় বৃদ্ধি করে মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্র পরিচালিত বার্তা সংস্থা সানা। তবে ভোটার উপস্থিতির পরিমাণ সম্বন্ধে কিছু জানানো হয়নি। 
 
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও ভোট প্রদানের সময় একইভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তখন ৮৮.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে ব্যাপক ব্যবধানে জয় লাভ করেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। নতুন করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ৭ বছর মেয়াদ বৃদ্ধি করেন তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও জিসিসি ওই নির্বাচনকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে বর্জন করে।
 
এদিকে, রবিবার সিরিয়ার রাষ্ট্র পরিচালিত টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ফুটেজ থেকে দেখা যায় যে, দামেস্কের উপকূলীয় অঞ্চল তারতুস ও লাতাকিয়ায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। ফুটেজে দেখা যায়, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নজরদারিতে ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন। দামেস্ক ছাড়া দেইর আয যরেও ভোট গ্রহণের ফুটেজ প্রচার করেছে রাষ্ট্র পরিচালিত টিভি চ্যানেল। 
 
সরকার-নিয়ন্ত্রিত এলাকার বাইরে কোথাও ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে না। এর মধ্যে রয়েছে কুর্দ-নিয়ন্ত্রিত বিদ্রোহী-অধ্যুষিত ভূখণ্ড ও ইদলিব প্রদেশ। এএফপি অনুসারে, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চেয়ে এইবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম।
 
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিরিয়া স্বাভাবিক পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এটা প্রমাণ করতেই এই নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে। -আল জাজিরা
 
ইত্তেফাক/ জেআর