আসামে নাগরিকপঞ্জি নিয়ে আদালতে ধাক্কা খেল মোদী সরকার

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৪:০৯
ভারতের আসামের নাগরিকপঞ্জি নিয়ে আদালতে ধাক্কা খেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ চূড়ান্ত খসড়ার কপি কেন্দ্রকে দেওয়া যাবে না। এনআরসি শীর্ষকর্তাকে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, কোথাও সামান্য তথ্যও কাউকে দিতে পারবেন না তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার
 
সুপ্রিম কোর্ট গতকাল চূড়ান্ত খসড়া থেকে বাদ পড়া নাগরিকদের জন্য নতুন করে আবেদন করার প্রক্রিয়া চালু করতেও সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে আবেদনের জন্য দু’মাসের সময়সীমা দিতে হবে বাদ পড়া নাগরিকদের। দশটি প্রমাণপত্রের মধ্যে যে কোনো একটি দিয়েই আবেদন করতে পারবেন তারা।
 
জুলাই মাসের শেষে প্রকাশিত আসামের চূড়ান্ত খসড়া নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়েছিলেন ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ। নতুন করে তাদের আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। তার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং বিচারপতি আর এফ নরিম্যানের বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, আবেদনকারীদের নথিপত্র যাচাই, অন্তর্ভুক্তি ও বাদ পড়া বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ার বিষয়েই কেন্দ্রকে কোনো তথ্য দিতে পারবে না এনআরসি কর্তৃপক্ষ। এনআরসি প্রধান প্রতীক হাজেলাও কোথাও কোনো তথ্য ‘শেযার’ করতে পারবেন না।
 
প্রতীক হাজেলা পরামর্শ দিয়েছিলেন, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগের জমি কেনা-বেচার দলিল, পাসপোর্ট, জীবন বিমা, ভিন রাজ্যের আবাসিক সার্টিফিকেটের মতো দশটি নথির মধ্যে যে কোনো একটি দিয়ে আবেদন করার অনুমতি দেওয়া হোক। শীর্ষ আদালত সেই পরামর্শই মেনে নিয়েছে। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, বাদ পড়া আসামবাসীকে নাগরিকত্ব প্রমাণের সবরকম সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে পুরোপুরি ছাড় দিয়ে অন্তুর্ভূক্ত করা হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৩ অক্টোবর।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি