চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন সোহেল হত্যা মামলার আসামি জাবেদ পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এসময় মহানগরীর ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। নিহত জাবেদ সোহেল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। গণপিটুনির নামে জাবেদ ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন সোহেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে বলে জানা যায়।
ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সোমবার মধ্যরাতে আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠের পাশে জাবেদসহ কয়েকজন বসে মাদক সেবন করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এসময় তারা পুলিশের ওপর গুলিবর্ষণ করলে পুলিশও পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। জাবেদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে এই ঘটনায় হাতে ও উরুতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সদীপকে চমেক হাসপাতালে চিকিত্সা প্রদান করা হয়। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের খোয়া যাওয়া একটি পিস্তল ও কয়েক রাউন্ড গুলিসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রশস্ত্র এবং ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি সকালে নগরীর ডবলমুরিং থানার পাহাড়তলী বাজারে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মহিউদ্দিন সোহেল গণপিটুনিতে নিহত হন। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও পাহাড়তলী বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক সাবের আহমদ সওদাগর ও সদস্য ওসমান খানসহ ২৭ জনকে এজাহার নামীয় আসামি করা হয়। এছাড়া আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
