তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান বলেছেন, রাজনীতিবিদ নয়— তুরস্কের আদালত যুক্তরাষ্ট্রের যাজক অ্যান্ডু ব্রুনসনের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করার কারণে আঙ্কারা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। এদিকে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, তুরস্ক এই মাসেই ধর্মপ্রচারক যাজক ব্রুনসনকে মুক্তি দিবে বলে আমি আশা করছি। ২১ মাস ধরে আটক থাকার পর জুলাই মাসে ওই যাজককে গ্রেফতার করা হয়।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নেওয়া এরদোগান মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেন, ব্রুনসনের বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত আদালতের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এটি একটি বিচার বিভাগীয় ব্যাপার। ব্রুনসনকে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর তার বিষয়ে আরেকটি শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আমরা জানি না আদালত এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে। তবে রায়ের বিষয়ে রাজনীতিবিদদের কোনো বক্তব্য থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, দোষী সাব্যস্ত হলে ব্রুনসনের ৩৫ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। তবে যাজক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাকে মুক্তির আদেশ দেওয়ার অধিকার আমার নেই। আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন। তিনি এও বলেন, আসুন অপেক্ষা করি। আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয় তা দেখি। আর ব্রুনসনের বিষয়টি কোনোভাবেই তুরস্কের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত নয়।
উল্লেখ্য, ব্রুনসনকে গ্রেফতারের পর আগস্ট মাসে তুরস্ক থেকে আমদানি করা অ্যালুমিনিয়াম ও ইম্পাতের ওপর দ্বিগুণ কর আরোপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে পাল্টা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা গাড়ি, মদ ও তামাকের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করে তুরস্ক। -রয়টার্স
ইত্তেফাক/ জেআর
