বিএনপি নেতা আতাউল্লাহ বোখারী সহ ৮ নেতাকর্মী আটক

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২৩:১৯
মহেশখালীতে বিএনপির মিছিল শেষে সমাবেশ করার সময় পুলিশের অভিযানে ৮জন বিএনপি নেতা কর্মীকে আটক করেছে মহেশখালী থানা পুলিশ। সম্প্রতি, ভারতে নির্বাসিত বিএনপি নেতা সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহাম্মদের সঙ্গে মহেশখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুবক্কর ছিদ্দিক ও উপজেলা যুব দলের সেক্রেটারী আমান উল্লাহ আমান ভারতের সিলং এ দেখা করেন। এ ঘটনা মহেশখালী কুতুবদিয়াবাসীর জন্য নতুন সু-খবর বলে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে প্রচার হয়। এ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয়। 
 
২৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব¦ আবুবক্কর ছিদ্দিক কোন মাইকে প্রচারনা ছাড়া বিএনপি দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত বলে স্বাগত জানিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ৪/৫শত জন দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে মিছিল বের করে। মিছিলটি গোরকঘাটা বাজার হয়ে উপজেলা পরিষদের কোর্ট রোডে গিয়ে শেষে হয়। এরপর গোরকঘাটা লামারবাজারে আবু বক্কর চেয়ারম্যানের অফিসের সামনে সমাবেশ করার প্রস্তুতি নেয়।
 
এ সময় মহেশখালী থানা পুলিশ  সংবাদ পেয়ে তারা সরকারী বিরোধী পরিকল্পনা করছে, যে কোনো সময় নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে এ অভিযোগে  অভিযান চালিয়ে কক্সবাজার জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি উপজেলা বিএনপি নেতা আতাউল্লাহ বোখারীসহ ৮জনকে আটক করে। আটক ৮জনের অন্যরা হলেন, ছোট মহেশখালীর জালার আহাম্মদের পুত্র কবির আহাম্মদ, মাতারবাড়ীর সিকদার পাড়ার আব্দুল খালেক এর পুত্র হাসান মুরাদ, কালারমারছড়ার ঝাপুয়া গ্রামের মৃত মোবাশ্বর আহাম্মদের পুত্র বদরুল আলম সাদেক, ধলঘাটা ইউনিয়নের শাপমারার ডেইল গ্রামের হাজী মকবুল আহাম্মদের পুত্র মিন্নাত আলী, শাপলাপুরের মোঃ জালালের পুত্র ওসমানগণী, ছোট মহেশখালী দক্ষিণ নলবিলার কবির আহাম্মদের পুত্র আব্দুল করিম, মাতারবাড়ী মিয়াজীর পাড়ার মাওলানা মফজল আহাম্মদের পুত্র এস্থাফাজুল হক।  
 
আটকের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করে। বিএনপি নেতাকর্মীর হামলায় ১০ পুলিশ আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, এসআই রাজু আহাম্মদ গাজী, এ এসআই জুয়েল, এএসআই জায়েদ আজিজ, এএসআই কুসুম বড়ুয়াসহ ১০জন। আহতদের মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
 
মহেশখালী থানা পুলিশ জানায়, বিএনপি নেতা আতা উল্লাহ বিগত মহেশখালী পৌরসভা নির্বাচনের সময় গুলিতে নিহত আব্দু শুক্কুর হত্যা মামলার ২নং আসামি। তার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি মামলা রয়েছে। আটককৃতরা সকলেই মহেশখালী উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিয়নের সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতা। তাদের বিরোদ্ধে  বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫/৩ ধারা ও সরকারী কাজে বাঁধা দিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমন করায় পুলিশ এসল্ট মামলা রুজু হচ্ছে। 
 
ইত্তেফাক/নূহু