কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে সুমী (৮) নামে এক শিশুর মুত্যু হয়। এ ঘটনার ১০ মাস পর ওই শিশুকে হত্যা করা হয়েছে বলে ভিসেরা রিপোর্ট জানা গেছে। এর সূত্র ধরে শিশু হত্যার অভিযোগে দেবর মিজানুর রহমান (২০) ও সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী শাম্মী আক্তারকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখাঁ মৌজার দুধকুমার মালির কন্যা সুমী (৮) গত বছরের ১৫ নভেম্বর হঠাৎ নিখোঁজ হয়। পরে ওই রাতে পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে সুমির লাশ থানা পুলিশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করে।
দীর্ঘ ১০মাস পর গত শনিবার রাজারহাট থানা পুলিশ ভিসেরা রিপোর্টে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। মামলাটি অধিকতর তদন্ত করে পুলিশ ওই এলাকার প্রবাসীর স্ত্রী শাম্মী আক্তার ও মিজানুর রহমানকে (২০) আটক করে। তদন্তকারী অফিসার এসআই জহুরুল ইসলাম তাদের পরকীয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
শাম্মী আক্তার সৌদি প্রবাসী আব্দুস সামাদ প্রামানিকের স্ত্রী ও মিজানুর তার ছোট ভাই। ঘটনার দিন ঘরের মধ্যে প্রবাসীর ছোট ভাই মিজানুর রহমান ও প্রবাসীর স্ত্রী শাম্মী আক্তারকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে স্কুল ছাত্রী সুমি। এটিই সুমির জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। ভবিষ্যতে ঝামেলা থেকে মুক্ত হতেই দুজনে মিলে শিশু সুমিকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে পার্শ্ববর্তী পুকুরে লাশ ফেলে দেয়। এ ব্যাপারে রাজারহাট থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
এ বিষয়ে ১অক্টোবর সোমবার রাজারহাট থানার প্রধান কর্মকর্তা কৃষ্ণ কুমার সরকার বলেন, আটককৃতদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সুমী হত্যার রহস্য উদঘাটন হলো।
ইত্তেফাক/নূহু
