কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষ আদালতে ৩টি মামলা করলেও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে একটি মহল গায়ের জোরে স্কুলের ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণিকক্ষ মেরামত করতে দিচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার হোসেনাবাদ ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন নিজস্ব জমিতে বঙ্গবন্ধু ইউনাইটেড ক্যাডেট স্কুল অ্যান্ড কলেজটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত। স্কুলের পাশের জমির বর্তমান মালিক শরীফ, আঃ খালেক ও মুক্তার স্কুলের মধ্যে তাদের জমি আছে বলে দাবি করে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর পাশের একটি শ্রেণিকক্ষ দীর্ঘদিন ধরে মেরামত করতে বাধা দেয়। কিছু অংশ জোর করে ভেঙ্গেও দেয়। এ ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা করে। যার নং ৯১/১৭ ইং। বিষয়টি পিবিআই তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান। আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। বর্তমানে আদলতে মামলাটি বিচারাধীন আছে। এছাড়া জমি সংক্রান্ত আরো দুটি মামলা যথাক্রমে ৭/১৮ এবং ৩৯/১৮ জেলা যুগ্ম ২য় আদালতে বিচারাধীন।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণীকক্ষ মেরামতে বাধাদানকারী আঃ খালেককে পাওয়া যায়নি। তবে তার পিতা মথুরাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসেমুদ্দিন হাসুর কাছে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধু ইউনাইটেড ক্যাডেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি ডঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন জানান, আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্বেও শরীফ, খালেক ও মুক্তার অব্যাহতভাবে হুমকি দেওয়ায় তারা শ্রেণিকক্ষটি মেরামত করতে পারছেন না। ফলে ছাত্র/ছাত্রীদের পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, ঐ চক্রটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করে আসছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমীন আক্তার জানান, বিষয়টি ওসি সাহেব দেখার কথা। তবে, তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
ইত্তেফাক/নূহু
