বর্ষবরণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:০৬

আবদুল গাফফার সুমন

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

 

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বৈশাখকে স্বাগত জানাতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ উপলক্ষে গত ১৪ এপ্রিল উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে বসে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণে নিজ নির্বাচনী এলাকায় বর্ষবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, এমপি। মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা শেষে ‘বাজে রে বাজে ঢোল আর ঢাক, এলো রে এলো পহেলা বৈশাখ’, ‘বন্ধে মায়া লাগাইছে পিরিতি শিখাইছে’, ‘তুমি কী দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়’—স্কুল শিক্ষক রোকেয়া আক্তার, মাহফুজ ও সার্ভেয়ার মোখলেছের কণ্ঠে গাওয়া এই গানগুলো দিয়ে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পরে আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেল রে মরার কোকিলে, মধু হই হই বিষ হাওয়াইলা, দে দে পাল তুলে দে মাঝি হেলা করিস না’সহ বিভিন্ন গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠান মাতিয়ে রাখেন ক্লোজআপ তারকা কাজী নওরিন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য তৃণমূল পর্যায় থেকে দুর্নীতির মূল উত্পাটন করতে হবে। দুর্নীতিকে সমস্বরে না বলতে হবে। দুর্নীতি যাঁরা করে তাঁরা দেশ ও সমাজের শত্রু, উন্নয়নের শত্রু, তাঁরা আমাদের সকলের শত্রু। দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের জন্য ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। শুধুমাত্র দুর্নীতি বন্ধ করা গেলে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।’ তিনি আরো বলেন, ‘ইলিশ মাছ না খেয়েও নতুন বছরকে বরণ করা যায়। এটা আমরা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখেছি।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামিম বানু শান্তি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি কুমিল্লা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মোখলেসুর রহমান, এলজিইডি কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সোহরাব হোসেন, কুমিল্লা সদরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাড. তানজিনা আক্তার,  মনোহরগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা কুসুম, উপজেলা প্রকৌশলী আল-আমিন সরদার, মনোহরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওয়াসিম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মতিনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।