ইন্দোনেশিয়ার দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে পারেনি উদ্ধারকর্মীরা, গাড়ি ও দোকানে ক্ষুধার্তদের লুটপাট

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৩৬
ভূমিকম্প ও সুনামিতে ক্ষতিগ্রস্ত ইন্দোনেশিয়ার সুলাবেসি প্রদেশের দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনও উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারেনি। রাস্তা-ঘাট ভেঙে যাওয়ায় দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পাঠানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। 
 
এদিকে উদ্ধার তৎপরতার ক্ষেত্রে পালু শহরকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে দাবি করে ক্ষোভ জানিয়েছেন ডংগালাসহ পালুর আশপাশের অন্যান্য এলাকার বাসিন্দারা। ক্ষুধার যাতনায় ত্রাণবাহী গাড়ি ও বিভিন্ন দোকানে লুটপাট চালাচ্ছে তারা। কর্তৃপক্ষ লুটপাটকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে  ভূমিকম্প ও সুনামিতে নিহতের সংখ্যা ১৫০০’র কাছাকাছি পৌঁছেছে।
 
শুক্রবার ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ভয়াবহ সুনামিতে ইন্দোনেশিয়ার সুলাবেসি প্রদেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ভূমিকম্প ও সুনামি-বিধ্বস্ত ইন্দোনেশিয়ায় জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় দুই লাখ মানুষের এখন মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
 
ত্রাণ তৎপরতা জোরদার করতে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার বরাদ্দ ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে ত্রাণ আসছে ঠিকই, তবে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানোর মতো অবস্থা সেখানে নেই। রাস্তাঘাট ভেঙে পড়ার কারণে অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোই যাচ্ছে না। 
 
ভূমিকম্প ও সুনামিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পালু ও ডংগালা এলাকা। পালু এলাকায় ব্যাপকভাবে উদ্ধার তত্পরতা চললেও ডংগালা খুব একটা মনোযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পালু ও ডংগালা এলাকা। পালু এলাকায় ব্যাপকভাবে উদ্ধার তৎপরতা চললেও ডংগালা খুব একটা মনোযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
 
এক ত্রাণকর্মী ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘সরকার সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। সেখানকার সবাই খাদ্য ও পানির জন্য মরিয়া হয়ে আছে। সেখানে খাবার, পানি ও জ্বালানি নেই।’ -বিবিসি ও রয়টার্স
 
ইত্তেফাক/ জেআর