রামগতিতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:৫৮
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা নদীতে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ১৪ জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হক পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত এ দণ্ড দেন।
 
শনিবার দিবাগত রাত থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও রামগতি থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে উপজেলার বিচ্ছিন্ন আবদুল্যাহর চরের হুজুরের খাল এলাকার মেঘনা নদী থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় ইঞ্জিন চালিত ২ টি মাছ ধরার নৌকা এবং প্রায় ২০০০ মিটার ইলিশ ধরার জাল আটক করা হয়।
 
দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন-ভোলার তজুমুদ্দিন উপজেলার মলংচড়া এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে মোঃ ইলিয়াস (৪০),  মো. সিরাজ (৩৮), মো. নোমান (২০), মো. নুরুল্লার ছেলে মোঃ মনির (২০), আবদুর রহিমের ছেলে মোঃ ইউনুছ (৩২), মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. লোকমান (৪০), রুস্তম আলীর ছেলে মো. নুরে আলম, সেনাপুর এলাকার নেজামল হকের ছেলে মো. মিজান (২৯), মো. মিরাজ (২০), মো. রিয়াজ (২৩), মোঃ শাহীন (১৮) আবদুল কাদেরের ছেলে মোঃ আইয়ুব (২৭) একই জেলার লালমোহন উপজেলার মো. মোস্তাফিজের ছেলে মোঃ নাজিম (৩৬) এবং নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকার অজিউল্যাহর ছেলে মো. ইসমাইল(৩২)।
 
মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিষয়ক উপজেলা ট্রাস্কফোর্সের সদস্য সচিব সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আবদুল্যাহর চরের হুজুরের খাল এলাকায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় ১৪ জেলেকে আটক করা হয়। এসময় প্রায় দুই হাজার মিটার ইলিশ মাছ ধরার জালসহ তাদের ব্যবহৃত দুইটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা জব্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে জব্দকরা জাল ও নৌকা নিলামে বিক্রি করা হবে।
 
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম আরিচুল হক জানান, আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে অভিযোগ স্বীকার করায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের রবিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা করাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
 
 
উল্লেখ্য প্রজননক্ষম ইলিশ সংরক্ষণের জন্য ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীর ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/কেআই