বিশ্বের প্রধান প্রধান সংবাদ মাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হচ্ছে বাংলাদেশে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দেয়ার খবর। এর মধ্যে আল-জাজিরা দিনের প্রধান শিরোনাম করেছে খবরটিকে।
‘২০০৪ সালের হামলার ঘটনায় ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত’ শিরোনামে প্রকাশিত আল-জাজিরার প্রধান খবরের উপ-শিরোনামে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের শীর্ষ বিরোধীদলীয় নেতা তারেক রহমানকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে রায়ে।’
আল-জাজিরার সংবাদে আরও বলা হয়, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির অভিযোগে এখন জেল খাটছেন। চলতি বছরের শেষে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে তাকে জেলে যেতে হয়।’
IMG0
২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় শেখ হাসিনার চারপাশে নেতাকর্মীদের গড়ে তোলা মানববর্ম। ছবি: সংগৃহীত
বিবিসির শিরোনাম ছিল ‘২০০৪ সালে সমাবেশে নৃশংস হামলার ঘটনায় ১৯ জনের ফাঁসি দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত।’ সংক্ষিপ্ত সংবাদটির বডিতে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার একক ছবি ব্যবহার করে ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া এখন জেলে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার শিরোনাম ছিল ‘শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলের যাবজ্জীবন, ১৯ জনের ফাঁসি।’ অন্যদিকে ভারতের ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস শিরোনাম করেছে ‘বাংলাদেশে বিরোধীদলীয় নেতার যাবজ্জীবন।’
IMG1
২০০৪ সালে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেত্রী বেগম আইভী রহমান। পরে নিহত হন তিনি। ছবি: সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকা দ্বিতীয় শিরোনামে ছেপেছে রায় দেয়ার খবর। শিরেনাম ছিল ‘হাসিনার উপর হামলা: মৃত্যুদণ্ড ১৯, খালেদা-পুত্র সহ যাবজ্জীবন ১৭ জনের।’
ইত্তেফাক/টিএস
