চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ কলেজছাত্রীসহ নিহত ৩

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:১৭
কুমিল্লার চান্দিনায় দুই মাইক্রোবাস ও বালিবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে ২ কলেজছাত্রীসহ ৩ নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুসহ আহত হয়েছেন আরও ১১জন। বুধবার দুপুর পৌনে ২টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলাধীন গোবিন্দপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
 
নিহতরা হলেন- দেবিদ্বার উপজেলার প্রেমু গ্রামের আব্দুল ওহাবের মেয়ে পপি আক্তার (১৮), একই গ্রামের মরিয়ম আক্তার মুনমুন (১৮)। তারা উভয়ই চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। অপরজন হলেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের লাভলী আক্তার (২৮)।
 
আহতরা হলেন- কুমিল্লার ময়নামতি পরিজপুর এলাকার আব্দুল কাইয়ূম (৩৫), মনোহরগঞ্জ এলাকার মহিউদ্দিন (২৫), সামছুল হুদা (৪৫), মনোহরগঞ্জ উপজেলাধীন দূর্গাপুর গ্রামের রাফি (৫), রাহিমা (৫৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাছিরনগর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের রাসেল (২৫)। অন্য ৫ জনের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি।
 
মাইক্রোবাস যাত্রী আহত সামছুল হুদা জানান, তিনি চান্দিনা বাস স্টেশন থেকে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট যাওয়ার উদ্দেশ্যে মাইক্রোবাসে ওঠেন। ওই মাইক্রোবাসে কলেজছাত্রীসহ আরও অন্তত ১০জন ছিল। গোবিন্দপুর স্টেশনে পৌঁছার পর যাত্রী নামানোর জন্য গাড়িটি থামলে পেছনের একটি মাইক্রোবাস ওভারটেকিং করছিল। এ সময় পিছন থেকে ছুটে আসা দ্রুতগামী বালুবাহী ট্রাক দুইটি মাইক্রোবাসকে পেছন থেকে ধাক্কা দিলে এ ঘটনা ঘটে।
IMG0
হাইওয়ে পুলিশ ময়নামতি থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) হারাধন চন্দ্র দাস জানান, একটি মাইক্রোবাস চান্দিনা থেকে ক্যান্টনমেন্ট যাচ্ছিল অপরটি বিদেশী যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে মনোহরগঞ্জ যাচ্ছিল। মাইক্রোবাস থেকে যাত্রী নামানোর সময় পেছন থেকে একটি ট্রাক ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে লাভলী আক্তার নিহত হয়।  বাকীদের কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর পপি আক্তার ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে মুনমুন নিহত হয়।
 
দুর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাস দুটি উদ্ধার করা হয়েছে তবে ঘাতক ট্রাকটি আটক করা সম্ভব হয়নি।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ