সংস্কারের অভাবে মতলব উত্তর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ আনন্দ বাজার-আমিরাবাদ বাজার রাস্তার কয়েকটি অঞ্চলে ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। গত ১০ বছরে এ রাস্তার ঢালে মাটির কোন কাজ করা হয়নি। ৩ কিলোমিটার রাস্তার কয়েকটি স্থানে পুকুরে মৎস্য চাষ, মালবাহী ৬ চাকার ট্রাক্টর নিয়মিত চলাচল ও রাস্তার ঢাল থেকে মাটি কেটে রাস্তা সংস্কারের কারণে রাস্তাটি এই দুরবস্থা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এলজিইডি’র এ রাস্তাটি আমিরাবাদ থেকে গোলাম মাওলাদের বাড়ি সংলগ্ন বেশ কয়েকটি স্থানে রাস্তাটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তবে এর মধ্যে সাধু-মধু বেপারীর বাড়ি ও বিল্লাল দেওয়ানদের বাড়ি সংলগ্ন স্থান দিয়ে রাস্তাটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা দেখা গেছে।
IMG0
স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি উপজেলার সর্ববৃহৎ ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এ রাস্তা ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে আমিরাবাদ বাজার, উপজেলার প্রাচীনতম চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ফরাজীকান্দি কামিল মাদ্রাসা, নেদায়ে ইসলাম মহিলা মাদ্রাসা, ফরাজীকান্দি সোনালী ব্যাংক, ফরাজীকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরকালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, ৩ ইউনিয়নের একমাত্র আমিরাবাদ ভূমি অফিস, গৌরাঙ্গ বাজার, ফরাজীকান্দি পোস্ট অফিস, গৌরাঙ্গ বাজার কমিউনিটি ক্লিনিকসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হবে।
স্থানীয় চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দলিল উদ্দিন জানান, রাস্তাটি ভেঙ্গে গেলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এনামুল হক জানান, এখানে রাস্তার অবস্থা খারাপ তা আমরা জানি কিন্তু দু’পাশে মাছ চাষ ও ৬ চাকার মালামালবাহী ভারি যান চলাচলের কারণে রাস্তা রক্ষা করা যাচ্ছে না। তাই আমরা এ রাস্তার কোন প্রকল্প নেয়নি।
ইত্তেফাক/বিএএফ
