নির্মানের প্রায় এক বছর পর নড়াইলের চিত্রা নদীর সীমাখালী ফেরিঘাটের ওপর নির্মিত শেখ রাসেল সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সকালে নড়াইলের জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি তার সরকারের সময়কালে দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ব আহবান জানান।
সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, নড়াইলবাসীর দাবি ছিল জেলার লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করা। সে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল শহরের প্রাণকেন্দ্র চিত্রা নদীর সীমাখালী ফেরিঘাটের ওপর সেতুটির নির্মান কাজ শুরু হয়। ওই সময় সেতুটির প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয় ২৯ কোটি টাকা। ১৪১ মিটার লম্বা মূল সেতুর বাইরে দুই পাশে ফ্লাইওভারের মতো দেখতে ভায়াডাক্টের দৈর্ঘ্য ২৩৮ মিটার এবং সেতুটির প্রস্থ্য ১৮ ফুট। সেতুর দুই পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক ৪৩১ মিটার।
২০১৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত নির্মান কাজের সময়সীমা নির্ধারণ থাকলেও তিন মাস আগেই নির্মান কাজ সম্পন্ন করে নিয়োগকৃত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢাকার মেসার্স এমবিইএল-ইউডিসি (জেভি)। জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে উদ্বোধনের আগেই ২০১৭ সালের ১৬ মার্চ সেতুটি খুলে দেওয়া হলে লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার সঙ্গে জেলা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়।
নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস জেলা পরিষদের প্রশাসক থাকাকালে এ সেতুটি নির্মানে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। তিনি জেলাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
নড়াইলের স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বিধান চন্দ্র সমাদ্দর বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চিত্রা নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হওয়ায় জেলার লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর হলো।
ইত্তেফাক/নূহু
