কোটা কোন চিরস্থায়ী ব্যবস্থা নয়, তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা পদ্ধতি থাকা উচিত। সম্প্রতি কোটা বাতিলের আগেও প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্ধারিত ১ শতাংশ কোটা যথাযথভাবে পূরণ করা হয়নি। তাই প্রয়োজনীয় নিয়ম করে সাময়িকভাবে কোটা ব্যবস্থা আরো কিছুদিন রাখা যেতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান একথা বলেন। এসডিজি বাস্তবায়নে গতকাল শুক্রবার নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির যৌথ আয়োজনে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তিনি একথা বলেন।
রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত বিতর্ক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচায, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার এবং গ্রাম বিকাশ সহায়ক সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাসুদা ফারুক রত্না। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন উন্নয়ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এসএম মোর্শেদ, সাংবাদিক ঝুমুর বারী ও অধ্যাপক ড. মু. শাহ আলম চৌধুরী। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য নেওয়া উদ্যোগ যথেষ্ট না। ফলে এসডিজি বাস্তবায়ন করতে হলে প্রতিবন্ধী নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জোর দিতে হবে।
সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, চাকুরিতে কোটার প্রয়োজন আছে। তবে একই সাথে প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা সংরক্ষণের পাশাপাশি সমাজকেও প্রতিবন্ধীবান্ধব হতে হবে। বিতর্ক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন মহিলা কলেজের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠান শেষে বিতার্কিকদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
ইত্তেফাক/আরকেজি
