বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন; জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টায় আটক ১

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:১৪
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে শনিবার সকাল আটটা থেকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাতটি ওয়ার্ডের নয়টি কেন্দ্রে পুনঃনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকালে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। বেলা ১১টার দিকে নগরীর সিটি কলেজ কেন্দ্রে অবৈধভাবে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের দায়ে ইকবাল হোসেন নামে একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। অপরদিকে দুপুর ১টার দিকে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে গেলে কোহিনুর বেগম নামে এক নারীকে আটক করে পুলিশ।
 
গত ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে আটটি কেন্দ্রের ভোট বাতিল ও একটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিলো। এর প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুসারে এসব কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচন করার সুপারিশ করা হলে নির্বাচন কমিশন এই ৯ কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয়। 
 
এসব কেন্দ্রের মধ্যে ১, ১৪, ১৭, ২২, ২৩ ও ২৪ সাধারণ ওয়ার্ডে ছয়জন কাউন্সিলর এবং তিনটি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রার্থীরা। কেন্দ্রগুলো হলো নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আগরপুর রোডের সরকারী মহিলা কলেজ (মহিলা) ও সদর রোডের সিটি কলেজ (পুরুষ), ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলেকান্দা ফারিয়া কমিউনিটি সেন্টার (পুরুষ), ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমাথা আরএম সাগরদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (পুরুষ), ২২ নম্বর ওয়ার্ডের সিএন্ডবি রোডের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (পুরুষ) ও শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (মহিলা), ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী জাগুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দা মজিদুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (কেন্দ্র), ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপতলী হাউজিং শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (পুরুষ)।
 
এতে প্রার্থী সংখ্যা ছিলো ৩৪ জন। এরমধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর ১৯ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর ১৫ জন। আর ভোটার ২৫ হাজার ৫শ ১৭ জন। প্রতি কেন্দ্র ৩ স্তরের নিরাপত্তা ও আইনশৃ্খংলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন ছিলো। 
 
ইত্তেফাক/নূহু