ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় আহত এনজিও কর্মীর মৃত্যু

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ১৭:৫৪
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় চরফ্যাশনের চক বাজার নামক স্থানে সোহেল (২০) নামে আহত এক এনজিও কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আহতের তিন দিন পর শনিবার রাতে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 
 
জিন্নাগড় ইউপি চেয়ারম্যান মো. হোসেন মিয়া তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত সোহেল জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের জামাল মিয়ার ছেলে। বুধবার এ ঘটনার পরই সোহেলের বাবা জামাল মিয়া বাদী হয়ে শামীমসহ ২জন এবং অজ্ঞাত ১৫/১৬ জনকে আসামি করে চরফ্যাশন থানায় মামলা করেছেন।
 
থানা পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ছালাউদ্দিনের ছেলে চরফ্যাশন সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র শামীম গত মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) স্কুলগামী এক ছাত্রীকে চকবাজার সংলগ্ন স্থানে ইভটিংজিং করে। ওই সময় চকবাজার মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি- এর কর্মী সোহেল প্রতিবাদ করে। এ নিয়ে পরদিন বুধবার সকালে চকবাজারের সাত্তারের দোকানের সামনে শামীম সোহেলের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়ায়। এক পর্যায়ে শামীম পাশের চা দোকান থেকে ছুরি এনে তার পেট ও পিঠের বাম পাশে ঢুকিয়ে দেয়। এতে সোহেল অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে চরফ্যাশন হাসপাতালে নিয়ে আসে। অবস্থা বেগতিক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠায়। 
 
চরফ্যাশন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসা সহকারী রিয়াজ উদ্দিন জানান, তার পেট ও পিঠের বাম পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটা ছিল।
 
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. আনিসুর রহমান রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে জানান, নিহতের বাবা জামাল মিয়ার দায়েরকৃত পূর্বের মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে সামিল করা হবে। আসামি গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
 
ইত্তেফাক/এমআই