চৌমুহনীতে বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে গ্রাহকরা অতিষ্ঠ

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৬:২৯
বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের অধীন চৌমুহনী শহরের বিদ্যুত গ্রাহকরা ভুতুড়ে বিলের কারনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিদ্যুত অফিসে গেলেও কোন সুষ্ঠু সমাধান পাওয়া যায় না।
 
নোয়াখালী জেলার বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে। ৩০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে এ শহরে। গ্রাহকরা আগে মাসে ৫-৬ শত টাকার বিল হাতে পেত। সেখানে  কয়েক মাস যাবৎ ৭ থেকে ১২ হাজার টাকার বিল পেয়ে আসছে। যার সঙ্গে বিদ্যুৎ মিটারের কোনো মিল নেই। যা মিটারের রিডিংয়ের চেয়ে এক হাজার থেকে পনের শ রিডিং বেশী। এতে গ্রাহকরা হতাশ হয়ে কেউ কেউ বিল পরিশোধ করে না। কেউ বিদ্যুৎ অফিসে গেলে বলা হয় এ বিল পরিশোধ করে দেন, পরে সমন্বয় করে দিব।
 
গ্রাহকদের অভিযোগ, মিটার রিডাররা কেউ মিটার রিডিং দেখতে আসে না। অফিসে বসে বসে অনুমান করে বিল করে দেয়। এতে গ্রাহকরা ভুতুড়ে বিলের জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
 
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চৌমুহনী বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাইফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, চৌমুহনীতে ৩০ হাজার বিদ্যুত গ্রাহক রয়েছে। নিয়মানুযায়ী এক হাজার গ্রাহকের জন্য একজন মিটার রিডার থাকার কথা। এখানে স্থায়ী কোন মিটার রিডার নেই। মাত্র ছয়জনকে দিয়ে অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এত অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। গ্রাহকরা আমাদের কাছে এলে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
 
ইত্তেফাক/নূহু