চৌমুহনী শহরের প্রধান সড়কে বেচাকেনা

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০১৮, ১৬:২৮
নোয়াখালীর চৌমুহনীর প্রধান সড়কের ওপর অবাধে মাছ ও তরকারিসহ বিভিন্ন দোকান বসায় যানজট লেগে থাকে, অপরদিকে জনসাধারণের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
 
এ শহরের প্রধান সড়ক ফোর লেন হলেও মাছ দোকান ও তরকারিসহ বিভিন্ন দোকান নিয়মিতভাবে বসে। তাছাড়া ফুটপাত দোকানদারদের দখলে আগেই চলে গেছে। এতে জনসাধারণের হাটার কোন সুযোগ নেই। বিশেষ করে মহিলাদের দুর্ভোগ পড়তে হয়। একদিকে সড়কের ওপর  দোকানপাট, অপরদিকে নিয়ন্ত্রনহীন রিকসা ও অটোরিকশার পার্কিং এর ফলে শহরের পূর্ব বাজার থেকে রেল ক্রসিং পার হয়ে ডেলটা গেট পর্যন্ত সব সময় যানজট লেগে থাকে।  
 
সড়কটির ওপর দিয়ে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার সমস্ত লোকাল এবং আন্তঃজেলা যানবাহন ও মালবাহী গাড়ি চলাচল করে থাকে। তাছাড়া চৌমুহনী শহরে দৈনিক কয়েকশ ট্রাক পিকআপ মালামাল নিয়ে আসা যাওয়া করে থাকে। এ যানজটের কারণে উত্তরবঙ্গসহ বিভিন্ন জেলার ড্রাইভাররা চৌমুহনী আসতে অনীহা প্রকাশ করে। সড়কের ওপর দোকানপাট বসানোর পেছনে কতিপয় স্বার্থান্বেষী লোক জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। তারা সড়কের ওপর জায়গা হাত হিসাবে দখল করে দোকানদারদের নিকট ভাড়া দিয়ে থাকে। মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দোকান উঠিয়ে দিলেও পরক্ষণে আবার দোকান বসে যায়।
 
এ ব্যাপারে চৌমুহনী পৌরসভার সচিব মো. কাইউম উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, পৌরসভা প্রধান সড়কের ওপর  দোকান বসানোর জন্য কোন মহল ডাক দেয়নি। অবৈধ দোকান উঠিয়ে দেওয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। তারপরও অবৈধ দোকান বসে যায়।
 
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তা ও বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমীন জানান, মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অনেকের জরিমানা করা হয়েছে। কারো কারো মালামাল জব্দ করা হয়েছে। কিন্তু আবার দোকান বসে  যায়। 
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ