ভেনিজুয়েলার উদ্বাস্তুদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:১৬
সংকট-বিচূর্ণ দেশ ভেনিজুয়েলা থেকে যারা বাধ্য হয়ে চলে গিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছেন— তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সমর্থন জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। একইসঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার যে দেশগুলো এ উদ্বাস্তু মানুষদের স্বাগত জানিয়েছেন তাদের তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। চলতি সপ্তাহে পেরুর লিমায় ভেনিজুয়েলার উদ্বাস্তুদের সঙ্গে তাদের দুর্দশা অবস্থার দিকে মনোযোগ আকর্ষণের জন্য সাক্ষাৎ করেছেন হলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।
 
পরে মঙ্গলবার পেরুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নেস্তর পপলিজোর সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে জোলি সাংবাদিকদের বলেন, অনেকের সঙ্গে কথা বলার পর এটা আমার কাছে পরিষ্কার যে, এ দেশত্যাগ তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী হয়নি। আমি শুনেছি কীভাবে চিকিত্সা ও ওষুধের অভাবে মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া মানুষের প্রতি সহিংসতা, খাদ্যাভাব ও অত্যাচারের কথা জেনেছি। এগুলো সত্যিই খুব দুঃখজনক ঘটনা। তিনি দক্ষিণ আমেরিকার আরো কয়েকটি দেশ সফরের সময় বসতি স্থাপন করা উদ্বাস্তুরা ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে একই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বলে জানান।
 
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনিজুয়েলা থেকে আনুমানিক ২৬ লাখ মানুষ দেশ ত্যাগ করেছেন। ২০১৫ সাল থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর শাসন আমলে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণে দেশটি থেকে বেশির ভাগ লোক চলে যাচ্ছে।
 
উল্লেখ্য, ভেনিজুয়েলার উদ্বাস্তুদের জন্য বিশেষ আবাসস্থল তৈরি করতে প্রথম দেশগুলোর একটি ছিল পেরু। দেশটিতে আসা উদ্বাস্তুদের কাজ করতে আইনগত অনুমতিও দিয়েছে। অবশ্য ক্রমেই ভেনিজুয়েলার উদ্বাস্তুদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে প্রবেশাধিকার, নিরাপত্তা ও বাসস্থান কর্মসূচিতে কঠোর হয়েছে।-রয়টার্স।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ