আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশে কোন দারিদ্র্য থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:২৬
সিলেট মহানগরীতে মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয় শুক্রবার বিকালে। নগরীর শাহী ঈদগাহ খেলার মাঠে সিলেট চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ।
 
এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, যখন কোনো সরকার ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকে তখন ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়। দেশের মানুষের কল্যাণ হয়।  বর্তমান সরকারের আমলে সারাদেশে উন্নয়ন হয়েছে।
 
তিনি বলেন সামনে নির্বাচন আসছে, তাই আপনারা আমাদের কর্মকাণ্ড দেখে বিবেচনা করবেন কাকে ভোট দেবেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা আশাবাদী আপনারা শেখ হাসিনাকেই বেছে নিবেন। কেননা তার নেতৃত্বের মাঝে শুধুই জনকল্যাণ নিহিত। 
 
এ সময় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশে কোন দারিদ্র্য থাকবে না। সে লক্ষ্যেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
 
মেলার উদ্বোধকের বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। পদ্মা সেতু আমরা নিজেরাই করছি। মেট্রোরেল করা হচ্ছে। এসব মেগাপ্রকল্প ছাড়াও দেশের সবকয়টি অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কোন সরকার যখন কন্টিনিউ করে তখন কি রকম উন্নয়ন হয় তা আপনারা দেখছেন। এটার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে আবারো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটকে বিজয়ী করতে হবে।
 
তোফায়েল বলেন, দেশে বিভিন্ন জোটের তোড়জোড় চলছে। এসবে কোন লাভ নেই। দেশের মানুষ জানে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হলে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। আদর্শ না থাকলে কোন জোটেই লাভ নেই। 
 
তোফায়েল আহমদ আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে রেখে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের সঙ্গে ঐক্য করা যায় না। এটা খুবই বেমানান।
 
চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল আহসান, এসএমপি কমিশনার গোলাম কিবরিয়া, জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম, র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ প্রমুখ। 
 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মুশফিক জায়গীরদার। সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির এই আয়োজনের ব্যবস্থাপনায় রয়েছে মণিপুরী তাঁতী শিল্প ও জামদানি বেনারসি কল্যাণ ফাউন্ডেশন।
 
ইত্তেফাক/নূহু