সাভারে জমি দখল, হত্যার হুমকি, চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় আরো একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ৬টি মামলা দায়ের করা হলো।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ডা. জাফরুল্লাহকে প্রধান আসামি করে সাইফুল ইসলাম শিশির, আবদুস সালাম ও আওলাদ হোসেনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন রাজধানীর ঝিগাতলা এলাকার বাসিন্দা মো. তোফাজ্জল হোসেন।
এদিকে পিএইচএ ভবনে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট, মারধর ও জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ এনে গণস্বাস্থ্যের পক্ষ থেকেও আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আশুলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আশুলিয়ার মির্জানগর এলাকায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ২.১৭ একর জমি ক্রয় সূত্রে নিজেকে মালিক দাবি করেন মো. তোফাজ্জল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু দীর্ঘ দিন থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ অবৈধভাবে সেই জমি দখল করে রেখেছিলেন। গত ২৭ অক্টোবর তিনি তার জমিতে গেলে জাফরুল্লাহসহ অন্যান্য আসামিরা তাকে প্রাণনাশের হুমকিসহ মারধর ও চাঁদা দাবি করে বলে মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জমি দখল, চাঁদাবাজি, প্রাণনাশের হুমকি, মারপিট, লুট, চুরিসহ নানা অভিযোগে গত ১৫ অক্টোবর মোহাম্মদ আলী, ১৯ অক্টোবর হাসান ঈমাম, ২১ অক্টোবর সেলিম আহমেদ, ২৩ অক্টোবর নাসির উদ্দিন ও ২৪ অক্টোবর কাজী মহিবুর রব পৃথক ৫টি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে পিএইচএ ভবনে হামলা ভাংচুর, লুটপাট, মারধর ও জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ এনে গণস্বাস্থ্যের পক্ষ থেকে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার গণস্বাস্থ্যের সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবদুস সালাম বাদি হয়ে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশুলিয়া থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন- মোহাম্মদ আলী, হাসান ঈমাম, সেলিম আহমেদ, নাসির উদ্দিন ও কাজী মহিবুর রবসহ ৩৫ জন। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামী করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
