গৌরনদীতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৮, ২০:১২
গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া, সরিকল ও খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের তিনটি স্থানে ১৫/২০টি বোমার বিস্ফোরণ ও সড়ক কেটে বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ১৩৬ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অসংখ্য অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
 
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে কে বা কারা গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের লাল পোল, সরিকল ইউনিয়নের হোসনাবাদ ষ্টিমারঘাট চকিদার বাড়ির সন্নিকটে ব্রিজের কাছে ও খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মেদাকুল গ্রামের দ্বীনবন্ধু সাহার বাড়ির কাছে দীঘির পাড় নামক এলাকায় বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তিনটি রাস্তা কেটে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এ ঘটনায় খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতলেব তালুকদার বাদী হয়ে ৫৫ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা অসংখ্য নেতাকর্মীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
 
মামলার উল্লেখ্যযোগ্য আসামিরা হলেন- ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আকন সিদ্দিকুর রহমান, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মদলের বরিশাল জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আহসান উজ্জামান বাদল মিয়া, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম শাহীন, লন্ডন প্রবাসী গোলাম কিবরিয়া তালুকদার, উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি লিটন তালুকদার, সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হক সরদার, সাবেক সভাপতি মো. শাহজাহান মুন্সী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. সেলিম সরদার, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি মো. কবির হোসেন।
 
মামলার বাদীদের অভিযোগ, নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করতে বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর বোমা হামলা করেছে। তারা সড়ক কেটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে।
 
বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, বিএনপি এলাকায় থাকতে পারে না তারা কি করে রাতে ধানের শীষের শ্লোগান দেয়। এটা পাগলেও বিশ্বাস করে না। বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে।
 
গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, বোমা হামলা ও রাস্তা কাটার ঘটনায় আওয়ামী লীগের তিন নেতা বাদী হয়ে পৃথকভাবে তিনটি মামলা দায়ের করেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ