রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘১৯৭১ এ পাকিস্তান নারী ধর্ষণের পাপ, শিশু হত্যার পাপ, পুড়িয়ে মানুষকে হত্যা করার পাপ, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে মানুষকে সর্বশান্ত করার পাপ করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেয়েছিল বলে নিরীহ মানুষদের হত্যা করা, নির্যাতন করা, পঙ্গু করে দেয়া, লুটপাট করার পাপে পাকিস্তান ধ্বংস হয়ে যাবে, ধ্বংস হতে বসেছে। যতদিন তারা মাফ না চাইবে, আমরা আমরা মাফ না করবো, পাকিস্তানকে মাফ চাইতে হবে, আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনকে পাকিস্তানকে মাফ করতে হবে, না হলে পাকিস্তান জ্বলে-পুড়ে ছাড়খার হয়ে যাবে। কবে পাকিস্তানের শুভবুদ্ধির উদয় হবে, আমরা দেখতে চাই।’
সোমবার দুপুরে রাজশাহী কলেজ মিলনায়তেন জেলহত্যা দিবসের উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার স্মরণে মাসব্যাপী ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের গল্প পাঠ’ শীর্ষক স্লোগানে ‘উন্নয়নের অভিযাত্রায় রাজশাহী’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সংগঠনের রাজশাহীর প্রতিষ্ঠাতা ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসান খন্দকার।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য দেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক হবিবুর রহমান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রওশন আরা কেয়া ও এসএম ইউনুস হাসান অন্তু।
এরআগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আর অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার নামে বৃক্ষরোপন করা হয়।
ইত্তেফাক/আরকেজি
