ইত্তেফাক রিপোর্ট
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ১৭০টি গার্মেন্টস কারখানার দুই লাখ শ্রমিক মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশের মাধ্যমে বেতন পেয়ে থাকেন। এতে গার্মেন্টস কারখানার ব্যাংক কিংবা হাতে হাতে পরিশোধের ঝামেলা কমা ও শ্রম ঘণ্টা বেঁচে যাওয়ার পাশাপাশি শ্রমিকরা অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক উপায়ে লেনদেন করতে পারছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানিয়েছে বিকাশ কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিকাশের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা তুলে ধরেন বিকাশের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মিজানুর রশীদ। এ সময় আজিম অ্যান্ড সন এর পরিচালক সালমান আজিম উপস্থিত ছিলেন।
মিজানুর রশীদ বলেন, শ্রমিকদের প্রতি মাসের বেতন বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করার বিষয়ে তাদের সচেতন করতে সময় লেগেছে। কিন্তু এখন তারা এ প্রক্রিয়ায় লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। এখন শ্রমিকদের টাকা উত্তোলন করতে যে চার্জ পরিশোধ করার কথা, তা বিকাশ ও মালিকপক্ষ ভর্তুকি হিসেবে দিচ্ছে। ফলে বিকাশের মাধ্যমে আসা বেতনের টাকা উত্তোলনে শ্রমিকদের বেশিরভাগেরই কোনো চার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে না। এ সময় জানানো হয়, দেশের চার হাজার গার্মেন্টস কারখানার প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিককে এ প্রক্রিয়ায় বেতন পরিশোধের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য বিকাশের। তবে কোনো কোনো শ্রমিকের মোবাইল ফোন ব্যবহার না করা, জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকা, পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া, পরিবারের প্রভাবশালী পুরুষ সদস্যের চাপে পড়ে টাকা দিতে বাধ্য হওয়ার মতো কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়েছে।
