বিবিআইএন-এমভিএ তে বাংলাদেশ-ভূটান-ভারত-নেপাল উপকৃত হবে: ড. আতিউর

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৫৩
'বিবিআইএন-এমভিএ বাস্তবায়ন করা গেলে তা বাংলাদেশ-ভূটান-ভারত-নেপাল (বিবিআইএন) এই চারটি দেশের জন্যই ব্যাপক সুফল বয়ে আনবে এ বিষয়ে এখন আর সন্দেহ নেই। তবে এই চুক্তিটি সফলভাবে কার্যকর করতে গেলে নীতি নির্ধারক পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে থাকা সকলের আস্থা অর্জন করতে হবে' বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। আজ ঢাকায় ‘কানেক্টিং করিডোরস বিয়য়েন্ড বর্ডারস’ শিরোনামে একটি মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করার সময় তিনি এ কথা বলেন। 
 
সভাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে ভারতের কাটস ইন্টারন্যাশনাল এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন সমন্বয়। দুটি গবেষণা সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ বিষয়ক গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল তুলে ধরেন কাটস ইন্টারন্যাশনালের অর্নব গাঙ্গুলি এবং উন্নয়ন সমন্বয়ের রবার্ট শুভ্র গুডা।
 
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব জনাব সোহেল চৌধুরী, একই মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জনাব মনোজ কুমার রায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জনাব এ. এইচ. এম. আহসান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের চিফ ট্রান্সপোর্ট ইকোনমিস্ট জনাব মারুফা ইসমাত, বিআইডিএস-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ এবং বিআইআইএসএস-এর রিসার্চ ডাইরেক্টর ড. মাহফুজ কবির আলোচনায় অংশ নেন। এছাড়া বাংলাদেশ ট্রাক মালিক সমিতি, কোস্টাল শিপ ওনার্স এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা আলোচনা করেন।
 
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বিবিআইএন-এমভিএ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অবকাঠামোগত, প্রক্রিয়াগত এবং রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও এগুলো মোকাবিলা করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। সমাপনী বক্তব্যে ড. আতিউর বলেন যে, এ অঞ্চলের চারটি দেশের মধ্যে বর্তমানে নজিরবিহীন রাজনৈতিক মতৈক্য পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং বিবিআইএন-এমভিএ কার্যকর করার জন্য এই মতৈক্য কাজে লাগাতে হবে। কারণ, এই চুক্তি কার্যকর হলে চূড়ান্ত সুফল ভোগ করবেন সাধারণ মানুষ তথা ভোক্তারা।
 
ইত্তেফাক/নূহু