স্পোর্টস রিপোর্টার
চিরায়ত হিসাব বলে, ইংল্যান্ডের মাটিতে স্পিনারদের খুব কার্যকর হওয়ার কথা না। কিন্তু এবার বিশ্বকাপের ফরম্যাটের জন্য অনেকেই মনে করছেন, ইংল্যান্ডে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে খুব কার্যকর হয়ে উঠতে পারেন স্পিনাররা। বাংলাদেশের শীর্ষ স্পিনার ও জাতীয় দলের সহঅধিনায়ক সাকিব আল হাসানও এই মতে একমত হলেন। ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলছিলেন, বিশ্বকাপে স্পিনাররা বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
এবার বিশ্বকাপে ১০টি দলই প্রথম পর্বে পরষ্পরের বিপক্ষে খেলবে। ফলে অনেক লম্বা হবে টুর্নামেন্ট। আর এই লম্বা টুর্নামেন্টের শেষ দিকে ক্লান্ত উইকেটে স্পিনাররা বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে বলছিলেন সাকিব, ‘টুর্নামেন্টের ফরম্যাটের কারণেই স্পিনাররা এখানে বড় একটা ভূমিকা রাখবে। এটা খুব লম্বা একটা টুর্নামেন্ট। উইকেট শুষ্ক হয়ে যাবে; বিশেষ করে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে।’
বিশ্বকাপের বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হয়ে গেছে। শুরুতে কথা ছিলো ২৩ এপ্রিল সাকিব এই ক্যাম্পে যোগ দেবেন। কিন্তু হায়দারাবাদের হয়ে আবার মাঠে নামার সুযোগ আসায় তিনি আইপিএলেই থেকে গেছেন। এখন সাকিব হয়তো বাংলাদেশ দল দেশ ছাড়ার আগের দিন এসে দলের সাথে যোগ দিতে পারেন।
সাকিব মনে করছেন, তিনি আইপিএলে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করেছেন, ‘আমি নিজেকে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত করতে যা করার দরকার, তাই করছি। আমার হায়দারাবাদের হয়ে আরও কিছু ম্যাচ খেলতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু সেটা হয়নি। আমি প্রস্তুতির কথা মাথায় নিলে সর্বোচ্চটাই করছি। আমি বাংলাদেশে বসে প্রস্তুতি নিতে পারতাম। কিন্তু এখানে আইপিএলেও সেটাই করছি।’
সাকিব মনে করেন, তার আরও কিছু ম্যাচ খেলতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু বাস্তবতাটা বোঝেন। তিনি নিজেই বলেছেন, হায়দারাবাদের বিদেশীরা এতো ভালো করছে যে, তার পক্ষে সুযোগ পাওয়া কঠিন ছিলো।
এই আইপিএল অভিজ্ঞতা নিয়েই আয়ারল্যান্ড সফর ও বিশ্বকাপে যেতে হবে সাকিবকে। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিলো। এবার প্রত্যাশাটা আরও বেশী থাকবে। সাকিব বলছিলেন, তারা এই প্রত্যাশা মাথায় নিয়ে মাঠে সঠিক কাজটা করতে চান, ‘হ্যা, প্রত্যাশা আছে। সবসময়ই প্রত্যাশা থাকবে। একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রত্যাশা মেনে নিয়েই খেলতে হবে। আমি মনে করি বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে। আমরা সঠিক পথে আছি। এখন স্রেফ টুর্নামেন্টে আমাদের ধৈর্যশীল হতে হবে।’
