ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপ দল এখনো আশা ছাড়েননি নারিন

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৫২

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল:

জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), ফ্যাবিয়েন অ্যালেন, ড্যারেন ব্রাভো, কার্লোস ব্রাথওয়েট, শেলডন কোর্টেল, শ্যানন গ্যাব্রিয়েল, ক্রিস গেইল, শিমরন হেটমেয়ার, শাই হোপ, এভিন লুইস, অ্যাসলি নার্স, নিকোলাস পুরান, কেমার রোচ, আন্দ্রে রাসেল, ওশানে থমাস।

 স্পোর্টস রিপোর্টার

২০১৬ সালের পর আর ওয়ানডে খেলেননি। ২০১৭ সালের পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেননি। তারপরও এবার বিশ্বকাপের জন্য তাকে ভালোমতোই বিবেচনা করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের নির্বাচকরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আন্দ্রে রাসেল আর এভিন লুইসের মতো তার জায়গা হয়নি বিশ্বকাপের দলে। সুনিল নারিন নিজেই শিকার করেছেন, তার আঙুলের ইনজুরির যে অবস্থা, তাতে বিশ্বকাপ খেলা কঠিন। তারপরও এই স্পিনিং অলরাউন্ডার আশা ছাড়েননি। তিনি আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেই জানিয়েছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ দলে নারিনের মতো পুরনো খেলোয়াড় আছেন অবশ্য বেশ কয়েকজন। ২০১৫ সালের পর থেকে একটিমাত্র ওয়ানডে খেলা আন্দ্রে রাসেল জায়গা করে নিয়েছেন এই দলে। যদিও জায়গা হয়নি ফেরার গুঞ্জন থাকা কিয়েরন পোলার্ড বা মারলন স্যামুয়েলসের। দুই বছর পর আবার দলে ফিরেছেন ফাস্টবোলার শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইনজুরির কারণে খেলতে না পারা এভিন লুইস ও কেমার রোচ ফিরেছেন বিশ্বকাপের দলে।  এই বিশ্বকাপের পরই ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রাখা ক্রিস গেইল আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে। তিনি পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলবেন এবার। দলে দেবেন্দ্র বিশুর বদলে জায়গা করে নিয়েছেন অলরাউন্ডার ফ্যাবিয়েন অ্যালেন। আইপিএলে অসাধারণ পারফরম করার পরও ইনজুরির কারণে শেষ মুহূর্তে দলে জায়গা মিস করেছেন আলজারি জোসেফ।

রাসেল গত বছরই হয়তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসতে পারতো। কিন্তু সে সময় হাঁটুর ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি। এরপর ২০১৮ সালে বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে একটি ওয়ানডে খেলেছিলেন তিনি। এরপর এবার আইপিএলে ব্যাট হাতে যে ধ্বংসাত্মক ফর্ম দেখিয়েছেন, তাতে তাকে উপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না। আইপিএলে মাঝারি ফর্মে থাকলেও নির্বাচকরা বিবেচনা করেছিলেন সুনিল নারিনকে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ডান হাতের মধ্যমার লিগামেন্ট ইনজুরিতে ভুগতে থাকা নারিনের শেষ পর্যন্ত আর দলে জায়গা হয়নি। নারিন বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খুব মিস করেন। তাই বিশ্বকাপে খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নিজেই বাস্তবতাটা তুলে ধরেছেন, ‘আমি বিশ্বকাপে খেলতে খুবই ইচ্ছুক ছিলাম। আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মিস করি এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রতিনিধিত্ব করাটা মিস করি। আমার হূদয় ওখানেই বাঁধা আছে। কিন্তু আমার মনে হয় না, আমার আঙুলটা এখনো ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। আমি টি-টোয়েন্টি খেলতে পারছি। কারণ এখানে চার ওভার বল করলেই চলে। তারপরও আমাকে নিয়মিত ফিজিওর সহায়তা নিতে হচ্ছে।’ বিশ্বকাপে সবগুলো দলের সামনেই ২২ মে তারিখের আগে আরেকবার পরিবর্তন আনার সুযোগ আছে। নারিন বলেছেন, তেমন সুযোগ এলে এবং এর মধ্যে তিনি পুরো