‘নতুন’ ধরনের ওমিক্রন নিয়ে যা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:৩৭

করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক ওমিক্রনেরও নতুন একটি ধরন আবিষ্কৃত হয়েছে। যা আরও বেশি সংক্রামক। ইতোমধ্যে ৫৭টি দেশে তা ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ভারতিয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকায় আবিষ্কৃত ওমিক্রনের নতুন একটি ধরন ‘বিএ.২’ সংস্করণ পাওয়া গেছে। যা আরও বেশি সংক্রামক। একে ওমিক্রনের গোত্রেই ফেলা হতে পারে।

ডব্লিউএইচও'র বিশেষজ্ঞ মারিয়া ফন কেরকোভে মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, সংক্রমণ ক্ষমতার বিচারে আগের গোত্রেই ‘বিএ.২’ ধরনকে ফেলা যেতে পারে। ওমিক্রন সংক্রমণের গতি নিয়ে আগেই চিন্তা ছিলো বিশেষজ্ঞদের মনে। এবার চিন্তা বাড়াল এর সাম্প্রতিকতম রূপ। বিজ্ঞানীদের দাবি, নতুন রূপের সংক্রমণ ক্ষমতা টেক্কা দিচ্ছে প্রাথমিক সংস্করণটিকে।

Maria Van Kerkhove

ডব্লিউএইচও জানায়, বিশ্বের অন্তত ৫৭টি দেশে ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে নতুন এই রূপটি। মাত্র ১০ সপ্তাহ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া যায়। সেই থেকে ঝড়ের গতিতে তা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বব্যাপী। মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে ডেল্টাকে সরিয়ে ওমিক্রন করোনার মূল ধরন হয়ে ওঠে। এখন জানা গেল সেই ধরনের ‘দ্বিতীয় প্রজন্মের ধরন’ হিসাবে পরিচিত ‘বিএ.২’ এর সংক্রমণ ক্ষমতা আরও বেশি।  

একাধিক সমীক্ষা ও গবেষণার তথ্য দাবি করছে, ‘বিএ.২’ ওমিক্রনের প্রাথমিক রূপের চেয়েও বেশি সংক্রামক।

মারিয়া ফন কেরকোভে জানান, এর সম্পর্কে এখনও বিশেষ কিছু জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এই রূপটি ওমিক্রনের প্রাথমিক রূপের চেয়ে সামান্য বেশি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন।  

ইত্তেফাক/টিআর